৭ দফা দাবিতে কাল থেকে রাঙামাটিতে ৩২ ঘণ্টার হরতাল ঘোষণা

সাত দফা দাবিতে আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে বুধবার দুপুর ২টা পর্যন্ত রাঙামাটি শহরে হরতাল ডেকেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ। আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় রাঙামাটি শহরের এক রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচির ঘোষণা করেন পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান কাজী মুজিবুর রহমান। পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের বৈঠকের বিরোধিতা করতে এ কর্মসূচি পালন করবে বলে জানায় সংগঠনটি।

সাত দফা দাবিতে আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে বুধবার দুপুর ২টা পর্যন্ত রাঙামাটি শহরে হরতাল ডেকেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ। আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় রাঙামাটি শহরের এক রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচির ঘোষণা করেন পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান কাজী মুজিবুর রহমান। পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের বৈঠকের বিরোধিতা করতে এ কর্মসূচি পালন করবে বলে জানায় সংগঠনটি।

আজকের সংবাদ সম্মেলনে কাজী মুজিবুর রহমান জানান, বিতর্কিত ভূমি কমিশনের বৈঠক প্রতিহত করতে ও সাত দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে কাল সকাল ৬টা থেকে বুধবার দুপুর ২টায় পর্যন্ত রাঙামাটি শহরে হরতাল পালন করা হবে। এসময়ে জেলা শহরে বিক্ষোভ সমাবেশ কর্মসূচিও পালন হবে। হরতাল চলাকালে সব ধরনের যানবাহন ও দোকানপাট বন্ধের আহ্বান করা হয়েছে। এসময় তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইন সংশোধনে সাত দফা দাবি তুলে ধরেন।

দাবিগুলো হলো- পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনে জনসংখ্যা অনুপাতে সকল জাতি গোষ্ঠী থেকে সমান সংখ্যক সদস্য নিশ্চিত করতে হবে, পার্বত্য চট্টগ্রামে ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তির কার্যক্রম শুরুর আগে ভূমির বর্তমান অবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভূমি জরিপ সম্পন্ন করতে হবে, জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের মানুষের ভূমির উপর ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দেশের সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ভূমি কমিশন সংশোধনী আইন ২০১৬-এর ধারাগুলো বাতিল করতে হবে, পার্বত্য চট্টগ্রামের ভূমি ব্যবস্থাপনা দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রবর্তন করতে হবে এবং সমতলের ন্যায় জেলা প্রশাসকদের ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তির অধিকার দিতে হবে, কমিশন কর্তৃক ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তির কারণে কোনো ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্থ হলে তাকে পার্বত্য চট্টগ্রামে সরকারী খাস জমিতে পূনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে, পার্বত্য চট্টগ্রামে তথাকথিত রীতি, প্রথা ও পদ্ধতির পরিবর্তে দেশে বিদ্যমান ভূমি আইন অনুসারে ভূমি ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে, বাংলাদেশ সরকারের আদেশ অনুযায়ী জেলা প্রশাসক কর্তৃক বন্দোবস্তকৃত অথবা কবুলিয়ত প্রাপ্ত মালিকানা থেকে কাউকে উচ্ছেদ করা যাবে না।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, নাগরিক পরিষদের কেন্দ্রীয় মহাসচিব আলমগীর কবীর, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আনিসুজ্জামান ডালিম, রাঙামাটি জেলা সভাপতি নাদিরুদ জামান, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সোলায়মান, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু বকর, মহিলাবিষয়ক সম্পাদক লাভলী আক্তার প্রমুখ।

আরও