জাসদের কার্যালয় থেকে আটক ২৭ জন কারাগারে

গত শনিবার রাজধানীর গুলিস্তানে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) প্রধান কার্যালয় থেকে বেলা আড়াইটার দিকে ২৮৯ ব্যক্তিকে আটক করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। পুলিশ জানিয়েছে, তারা সেখানে গোপন বৈঠক করছিলেন। পরে আটকদের মধ্যে ২৭ জন বাদে বাকিদের ছেড়ে দেয়া হয়।

রাজধানীর গুলিস্তানে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) প্রধান কার্যালয় থেকে আটকদের মধ্যে ২৭ জনকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। দলটির কার্যালয় থেকে আটক অন্যদের এরই মধ্যে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

আজ রোববার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম শুনানি শেষে ২৭ জনের ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দেন।

গত শনিবার রাজধানীর গুলিস্তানে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) প্রধান কার্যালয় থেকে বেলা আড়াইটার দিকে ২৮৯ ব্যক্তিকে আটক করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। পুলিশ জানিয়েছে, তারা সেখানে গোপন বৈঠক করছিলেন। পরে আটকদের মধ্যে ২৭ জন বাদে বাকিদের ছেড়ে দেয়া হয়।

ওই ২৭ জনকে জেলহাজতে আটক রাখতে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর আবেদন করেন পল্টন মডেল থানার উপপরিদর্শক মো. নাজমুল ইসলাম। এতে তিনি উল্লেখ করেন, গত শনিবার আসামিরা বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ভেতরে জয় বাংলা শ্লোগান দিয়ে অস্থিতিশীল ও বিশৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করলে অফিসার ও ফোর্স এবং স্থানীয় উপস্থিত লোকজনদের সহযোগিতায় ওইদিন বিকাল ৪টা ১০ মিনিটে তাদের আটক করি। জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে ঘটনাস্থলে আসার বিষয়ে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি তারা। তারা কোনো আমলযোগ্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ কারণে আসামিদের আপাতত ফৌজদারি কার্যবিধি আইনের ৫৪ ধারা মোতাবেক তাদের আপনার আদালতে সোপর্দ করলাম। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের জেল-হাজতে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

এর আগে পল্টন মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরিফুর ইসলাম বলেন, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে থানায় কিছু লোকজনকে আনা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ করে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই শেষে এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া নেয়া হবে।

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) আকতার হোসেন জানান, জাসদের প্রধান কার্যালয়ে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেয়া হয়েছিল ও বহিরাগত অনেকে অবস্থান করছিলেন। সেই সঙ্গে বৈঠকও চলছিল—এমন সন্দেহে ক্রাইম ও গোয়েন্দা পুলিশ একটি যৌথ অভিযান চালিয়েছে। অর্ধশতাধিক হেফাজতে নিয়ে পল্টন থানায় নেয়া হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

তিনি আরো জানান, অভিযান চলমান। তথ্য বিশ্লেষণ ও জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।

আরও