সহশিক্ষা কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) ‘কোয়ালিটি গ্র্যাজুয়েট’ গড়ে তোলার বিষয়ে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের সদস্যরা অংশ নেন। বক্তারা বলেন, বর্তমান প্রতিযোগিতাপূর্ণ বিশ্বে দক্ষ, নেতৃত্বগুণসম্পন্ন ও আন্তর্জাতিক মানের স্নাতক গড়ে তুলতে সহশিক্ষা কার্যক্রমের বিকল্প নেই।
আজ রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সম্মেলন কক্ষে ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলের উদ্যোগে ‘সহশিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে মানসম্পন্ন স্নাতক তৈরি’ শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ৪০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন।
আইকিউএসির পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান সরকারের সভাপতিত্বে এবং সহযোগী পরিচালক অধ্যাপক ড. মুরাদ আহমেদ ফারুকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন ডিন কাউন্সিলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান এবং কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. জি এম মুজিবর রহমান।
সেমিনারে মূল আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা ব্যবস্থার পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. হাম্মাদুর রহমান। আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন কৃষি সম্প্রসারণ শিক্ষা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. গোলাম ফারুক, বাকৃবি বিতর্ক সংঘের সভাপতি অধ্যাপক ড. আহমদ খায়রুল হাসান এবং সহযোগী ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। পরে বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যদের অংশগ্রহণে মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, বর্তমান প্রতিযোগিতাপূর্ণ বিশ্বে দক্ষ, নেতৃত্বগুণসম্পন্ন ও আন্তর্জাতিক মানের ‘কোয়ালিটি গ্র্যাজুয়েট’ গড়ে তুলতে সহশিক্ষা কার্যক্রমের কোনো বিকল্প নেই। এ ধরনের সেমিনার শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও সচেতনতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরো বলেন, সহশিক্ষা কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের মন-মানসিকতায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনে এবং ভবিষ্যৎ জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শিক্ষার্থীদের আরো দক্ষ ও যোগ্য করে তুলতে পারলে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ভবিষ্যতে আরো এগিয়ে যাবে।