দেশে পিরানহামুক্ত প্রথম জেলা রংপুর

দেশের মধ্যে প্রথম রংপুরকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিষিদ্ধ ঘোষিত পিরানহা মাছমুক্ত জেলা ঘোষণা করা হয়েছে। মুজিববর্ষ ও মহান বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে জেলা মৎস্য দপ্তরের আয়োজনে গতকাল টার্মিনাল মৎস্য আড়তে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মো. আসিব আহসান এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, এখানে পিরানহা মাছের চাষ হয় না।

দেশের মধ্যে প্রথম রংপুরকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিষিদ্ধ ঘোষিত পিরানহা মাছমুক্ত জেলা ঘোষণা করা হয়েছে। মুজিববর্ষ মহান বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে জেলা মৎস্য দপ্তরের আয়োজনে গতকাল টার্মিনাল মৎস্য আড়তে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মো. আসিব আহসান ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, এখানে পিরানহা মাছের চাষ হয় না। তাই জেলার প্রধান প্রাপ্তিস্থল শঠিবাড়ী এবং বাস টার্মিনাল মৎস্য আড়তের ব্যবসায়ীরা মাছ বিক্রি বন্ধ করলেই জেলা পিরানহা মাছমুক্ত হবে। সভার শুরুতে জেলার অন্যতম দুটি আড়তের নেতারা পিরানহা মাছ আর বিক্রি করবেন না বলে অঙ্গীকার করেন। পাশাপাশি যদি কোনো অসাধু ব্যবসায়ী পিরানহা মাছ বিক্রি করেন তাদের প্রতিহতেরও প্রতিশ্রুতি দেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. নুরনাহার বেগম, টার্মিনাল মৎস্য আড়তের সভাপতি আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক স্থানীয় কাউন্সিলর মিজানুর রহমান মিজু, শঠিবাড়ী মৎস্য আড়তের সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ প্রমুখ। সভার সভাপতি জেলা মৎস্য অফিসার বরুণ চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, পিরানহা মাছের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, যে জলাশয়ে থাকে সেখানকার সব জলজ প্রাণী খেয়ে ফেলে। তাই খাল-বিল নদীনালার অন্যান্য মাছ সংরক্ষণ রক্ষায় ২০০৮ সালে মৎস্য সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী আমাদের দেশে পিরানহা মাছের প্রজনন, পরিবহন বিক্রয় নিষিদ্ধ করা হয়।

জেলা মৎস্য দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, রংপুর জেলা পিরানহা মাছমুক্ত করার জন্য গত বছরের বেশি সময় জেলার আট উপজেলার হাটবাজারে (দুটি মৎস্য আড়ৎসহ) ৬২টি ভ্রাম্যমাণ আদালত, ২৬১টি অভিযান এবং ২৭৪টি সচেতন সভা পরিচালনা করা হয়। বিভিন্ন অভিযানে ৮৯৬ কেজি পিরানহা মাছ, ২০৮ কেজি আফ্রিকান মাগুর, ৭৬ হাজার ৭০০ মিটার কারেন্ট জালসহ ২৩৮টি চায়না দুয়ারি জব্দ করা হয়।

আরও