গতকাল দুপুরে তার নির্দেশে রেজিস্ট্রার ও অর্থ দপ্তরসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরের তালা ভেঙে কার্যক্রম স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেয়া হয়। তবে শিক্ষকদের ‘শাটডাউন’ কর্মসূচির কারণে ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে।
১১ মে থেকে পদোন্নতির দাবিতে শিক্ষকরা উপাচার্যকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে প্রশাসনিক ভবন ও দপ্তরগুলোতে তালা ঝুলিয়ে দেন। টানা চারদিন অচলাবস্থা চলার পর আজ বিভাগীয় কমিশনারসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা সমঝোতার জন্য এলেও শিক্ষকরা আলোচনায় বসতে রাজি হননি। এর পরই উপাচার্য তালা অপসারণের নির্দেশ দেন। রেজিস্ট্রার মো. হুমায়ুন কবির জানান, প্রশাসনিক স্থবিরতা কাটাতে উপাচার্যের নির্দেশে তারা তালা অপসারণ করেছেন এবং এখন থেকে দপ্তরের কাজ নিয়মিত চলবে।
শিক্ষকদের এ আন্দোলনের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। শাটডাউন কর্মসূচির কারণে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন বিভাগের ৪৬টি পরীক্ষা বাতিল হয়েছে।
বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ জানান, ২৪ জন অধ্যাপকের মধ্যে অনেকের পদ এখনো সৃষ্টি হয়নি। ইউজিসি ও মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে এটি সমাধানযোগ্য। তবে মুষ্টিমেয় শিক্ষকের পদোন্নতির জন্য শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখা সমীচীন নয়।
অন্যদিকে ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম বলেন, ‘আমি বারবার আলোচনার আহ্বান জানালেও শিক্ষকরা সাড়া দেননি। প্রশাসনিক গতিশীলতা ফেরাতে তালা অপসারণ করা হয়েছে।’