খুলনা বিভাগে করোনায় ৩২ জনের মৃত্যুর রেকর্ড

খুলনা বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় নভেল করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিভাগে প্রথম করোনা শনাক্ত হওয়ার পর এটাই একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এর আগে ২০ জুন একদিনে সর্বোচ্চ ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এ সময় ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে ৯০৩ জনের শরীরে। গতকাল দুপুরে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক রাশেদা সুলতানা এ তথ্য জানান।

খুলনা বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় নভেল করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিভাগে প্রথম করোনা শনাক্ত হওয়ার পর এটাই একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এর আগে ২০ জুন একদিনে সর্বোচ্চ ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এ সময় ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে ৯০৩ জনের শরীরে। গতকাল দুপুরে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক রাশেদা সুলতানা এ তথ্য জানান।

রাশেদা বলেন, এর আগের ২৪ ঘণ্টায় করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছিল ৯৯৮ জনের। ওই সময় মৃত্যু হয়েছিল ২৭ জনের। সেই হিসেবে ওই দিনের তুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় (মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত) নতুন শনাক্ত রোগী কমলেও মৃত্যুর ঘটনা বেড়েছে।

বিভাগে মোট নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমিত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৭ হাজার ৮৭৮। মোট মৃত্যু হয়েছে ৮৯৬ জনের। সুস্থ হয়েছে ৩৫ হাজার ১৮৫ জন। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছে ২৩৭ জন।

তিনি আরো বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি আটজনের মৃত্যু হয়েছে খুলনায়। এরপর ঝিনাইদহে মারা গেছেন সাতজন। চুয়াডাঙ্গায় পাঁচ, কুষ্টিয়ায় চার, বাগেরহাটে তিন, মেহেরপুরে দুই এবং যশোর, নড়াইল ও সাতক্ষীরায় একজন করে মারা গেছেন।

বিভাগে করোনায় মোট মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে খুলনা জেলায় ২২৮, কুষ্টিয়ায় ১৬৬, যশোরে ১১৪, চুয়াডাঙ্গায় ৭৯, ঝিনাইদহে ৭৫, বাগেরহাটে ৭৩, সাতক্ষীরায় ৬৩, মেহেরপুরে ৩৭, নড়াইলে ৩৬ ও মাগুরায় ২৫ জন রয়েছেন। বিভাগে মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, চলতি জুনের প্রথম ২৩ দিনে ১৩ হাজার ৫৮৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ে মারা গেছেন ২৫১ জন। এর আগের ২৩ দিনে (৯-৩১ মে) শনাক্ত হয়েছিল ২ হাজার ৪৮৬ জন। ওই সময়ে মারা যান ৫৭ জন। অর্থাৎ এখন পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর ২৮ শতাংশের বেশি শনাক্ত হয়েছে চলতি মাসের ২৩ দিনে। আর মোট মৃত্যুর ২৮ শতাংশেরও বেশি ঘটনা ঘটেছে এ সময়ে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের ১০ জেলায় আরটি-পিসিআরের মাধ্যমে ১ হাজার ২৩১টি, র্যাপিড অ্যান্টিজেনে ৯৮৭টি এবং জিন এক্সপার্টের মাধ্যমে ৫৫টি নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ৩৯.৭৩%।

আরও