ফরিদপুরে দোকানের অংশ বাড়িয়ে সওজের জায়গা দখল

ফরিদপুর শহরের বাসস্ট্যান্ড থেকে রাজবাড়ী রাস্তার মোড় পর্যন্ত সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের জায়গা সুকৌশলে দখলের অভিযোগ উঠেছে।

বিশেষ করে হেলিপোর্ট মার্কেট ও আশপাশের এলাকায় অর্ধশতাধিক দোকানের সামনের অংশ বাড়িয়ে সরকারি জায়গা দখল করে নিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। সেখানে অতিরিক্ত দোকান বসিয়ে ব্যবসা পরিচালনা ছাড়াও তোলা হচ্ছে ভাড়া। এতে পথচারীদের স্বাভাবিক চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। এ পরিস্থিতিতে অবৈধ দখলদারদের দ্রুত উচ্ছেদের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ ও পথচারীরা। এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন।

সরেজমিনে হেলিপোর্ট মার্কেট ও আশপাশের এলাকায় দেখা গেছে, অর্ধশতাধিক দোকানের সামনের অংশ বাড়িয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের জায়গা দখল করে নেয়া হয়েছে। মূল ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সামনে নতুন স্থাপনা গড়ে আলাদা ব্যবসা পরিচালনা করা হচ্ছে। এভাবে দোকান তুলে অনেকে নিয়মিত ভাড়া তুলছেন বলে অভিযোগও রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়ক সংস্কারের পর চওড়া হলেও অবৈধ দখলের কারণে পথচারীদের চলাচলের পথ সংকুচিত হয়ে পড়েছে। ফলে চলাচলে তাদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

কয়েকজন পথচারী জানান, মূল সড়কটি নতুন করে সংস্কার করায় আগের থেকে বেশি চওড়া হয়েছে। তবে পথচারীদের চলাচলের সড়ক শুরু হয়ে গেছে। অন্যদিকে সড়কের পাশের ব্যবসায়ীরা মূল ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বাইরে সড়ক ও জনপথের জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। এতে হাঁটার পথ আরো সংকীর্ণ হয়ে গেছে।

এদিকে হেলিপোর্ট বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, মার্কেটের মূল ভবনের সামনের অংশে জবরদখল করে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা পরিচালনা করায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তারা। এতে একদিকে যেমন মার্কেটের সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে এসব ব্যবসায়ী সড়ক ও জনপথ বিভাগের জায়গা দখল করে রাখায় পথচারীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে।

এ বিষয়ে ফরিদপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের সড়ক উপবিভাগ ১-এর উপসহকারী প্রকৌশলী মো. আনোয়ার বণিক বার্তাকে বলেন, ‘সড়ক ও জনপথের জায়গা দখল করার কিংবা দখল করে রাখার কোনো সুযোগ নেই। অবিলম্বে সার্ভেয়ারের মাধ্যমে রাস্তার সীমানা চিহ্নিত করে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদের মাধ্যমে জায়গা দখলমুক্ত করা হবে।’

ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া বণিক বার্তাকে বলেন, ‘বিষয়টি শুনেছি। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও