বাঞ্ছারামপুরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত ১, আহত ১০

নিহত জুয়েল মিয়া নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার নিলোখ্খা ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামের সেন্টু মিয়ার ছেলে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত পাঁচজন গুলিবিদ্ধসহ ১০ জন আহত হন। আহতরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে পাঁচ রাউন্ড গুলি, পাঁচটি ককটেল ও একটি দেশীয় বন্দুক উদ্ধার করেছে পুলিশ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে জুয়েল মিয়া নামে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। সোমবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ভোরে উপজেলার শান্তিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত জুয়েল মিয়া নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার নিলোখ্খা ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামের সেন্টু মিয়ার ছেলে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত পাঁচজন গুলিবিদ্ধসহ ১০ জন আহত হন। আহতরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে পাঁচ রাউন্ড গুলি, পাঁচটি ককটেল ও একটি দেশীয় বন্দুক উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে শান্তিপুর গ্রামের আজগর আলী সরকার বাড়ি ও সফু সরকার বাড়ির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। গত ৩০ জুন দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এরপর থেকে সফু সরকারের লোকজন এলাকা ছাড়া ছিলেন।

এর জের ধরে আজ সোমবার ভোরে সফু সরকারের নাতি মোক্তার হোসেনের নেতৃত্বে নরসিংদী থেকে লোকজন এনে প্রতিপক্ষের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়ালে পাঁচ থেকে ছয়জন গুলিবিদ্ধ হন।

পরে আহতদের উদ্ধার করে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক জুয়েল মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।

বাঞ্ছারামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইয়াছিন জানান, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ রয়েছে। এর জের ধরেই ভোরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।

তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

আরও