পেট্রোবাংলার কাছে এনবিআরের পাওনা ২০ হাজার কোটি টাকা

তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানিতে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত শুল্ক কর বাবদ পেট্রোবাংলার বকেয়ার পরিমাণ ৮ হাজার ৪৭১ কোটি টাকা। এছাড়া ২০২১-২২ অর্থবছরে গ্রাহক পর্যায়ে বকেয়া মূসকের পরিমাণ ৪ হাজার ১০৫ কোটি টাকা। এলএনজি আমদানি বাবদ মোট ১২ হাজার ৫৭৭ কোটি টাকা শুল্ক কর বকেয়া পড়েছে পেট্রোবাংলার। এর বাইরেও মূসক ও

তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানিতে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত শুল্ক কর বাবদ পেট্রোবাংলার বকেয়ার পরিমাণ ৮ হাজার ৪৭১ কোটি টাকা। এছাড়া ২০২১-২২ অর্থবছরে গ্রাহক পর্যায়ে বকেয়া মূসকের পরিমাণ ৪ হাজার ১০৫ কোটি টাকা। এলএনজি আমদানি বাবদ মোট ১২ হাজার ৫৭৭ কোটি টাকা শুল্ক কর বকেয়া পড়েছে পেট্রোবাংলার। এর বাইরেও মূসক ও সম্পূরক শুল্ক বাবদ এনবিআরে পেট্রোবাংলার বকেয়ার পরিমাণ ২০ হাজার কোটি টাকার বেশি। 

এনবিআরের পাওনার বিষয়টি নিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকেও আলোচনা হয়। আলোচনায় পেট্রোবাংলার বিতরণকারী কোম্পানিগুলোর কাছে বিক্রীত গ্যাসের মূল্যের ওপর ট্যাক্সসংক্রান্ত যেসব বিষয় বুক অ্যাডজাস্টমেন্টের জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, এ ধরনের সব বিষয় নিষ্পত্তিকরণ এবং এ-সংক্রান্ত হালনাগাদ প্রতিবেদনসহ ট্যাক্স অব্যাহতি প্রদান সম্পর্কিত এসআরও সংসদীয় কমিটির বৈঠকে উপস্থাপনের সুপারিশ করে। সেই সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে একটি প্রতিবেদন সংসদীয় কমিটিতে উপস্থাপন করা হয়। 

সংসদীয় কমিটিতে দেয়া প্রতিবেদনে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ বলছে, ২০১৮ সালের বিইআরসি জারীকৃত মূল্যহার আদেশ অনুযায়ী এলএনজি আমদানি পর্যায়ের পরিশোধিত মূসক গ্রাহক পর্যায়ের আদায়কৃত মূসকের সঙ্গে সমন্বয়যোগ্য। কিন্তু জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ২০২২ সালের ৬ ডিসেম্বরের ব্যাখ্যাপত্র অনুযায়ী এলএনজি আমদানি পর্যায়ের পরিশোধিত মূসক গ্রাহক পর্যায়ের আদায়কৃত মূসকের সঙ্গে সমন্বয়যোগ্য নয়। ফলে দুই পর্যায়ের মূসক পরিশোধের জন্য অর্থ সংস্থান না পাওয়ায় আইওসি ও এলএনজি খাতের গ্রাহক পর্যায়ের বকেয়া মূসক বাবদ ৪ হাজার ১০৫ কোটি টাকা ও এলএনজি আমদানি পর্যায়ের বকেয়া মূসক ৮ হাজার ৪৭১ কোটি টাকা দাঁড়িয়েছে। 

এ বিষয়ে পেট্রোবাংলার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে অর্থ বিভাগ বরাবর ভর্তুকি প্রদানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে অনুরোধ জানানো হলেও এ খাতে কোনো অর্থ বরাদ পাওয়া যায়নি। ভর্তুকি ব্যতীত এ অর্থ সংস্থানের কোনো সুযোগ পেট্রোবাংলার নেই। এলএনজি আমদানি পর্যায়ের মূসক পরিশোধ থেকে পেট্রোবাংলাকে ভূতাপেক্ষ অব্যাহতি প্রদান অথবা নিয়মিত করে সমস্যা সমাধান করা যেতে পারে।

আরও