এর মাধ্যমে দেশের হারিয়ে যাওয়া জীববৈচিত্র্য পুনরুদ্ধারে কাজ করছে সরকার। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলাবদ্ধতা নিরসন, খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিসহ গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।’
গতকাল দুপুরে পঞ্চগড়ের বোদা পৌরসভার প্রামাণিক পাড়ায় ঝিনাইকুড়ি খাল পুনঃখননকাজের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ কাজ শুরু হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘একসময় খালটি প্রবহমান নদীর মতো ছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা ভরাট হয়ে গেছে। খালটি পুনঃখনন করা হলে প্রায় ১৫ হাজার মানুষের উপকার হবে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা কমবে এবং শুকনো মৌসুমে পানির চাহিদা পূরণে সহায়তা করবে।’
ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, ‘খাল পুনঃখননের মাধ্যমে শুধু পানি ব্যবস্থাপনাই নয়, জীববৈচিত্র্য রক্ষা, মৎস্য চাষ, হাঁস পালন এবং স্থানীয় মানুষের জীবিকায় নতুন সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে খালের তীর ঘিরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিও নেয়া হবে।’
তিনি বলেন, ‘উত্তরাঞ্চলে পানির স্তর দিন দিন নিচে নেমে যাচ্ছে। আগে ২০ ফুট খনন করলেই পানি পাওয়া যেত, এখন অনেক জায়গায় ৬০ ফুটেও পাওয়া যায় না। খাল ও জলাশয় পুনরুদ্ধার করা গেলে পানির স্তর স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক হবে।’
খাল খননকাজে স্থানীয় মানুষকে সম্পৃক্ত করার নির্দেশনা রয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এতে একদিকে যেমন খরচ কিছুটা বাড়তে পারে, অন্যদিকে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং অর্থ স্থানীয় পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়বে। সরকার অন্তত ৫০ শতাংশ কাজ শ্রমিক দিয়ে করার পরিকল্পনা নিয়েছে।’