নারায়ণগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ২০

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন। বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ফতুল্লার বটতলা এলাকায় সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে।সংঘর্ষের দুই গ্রুপের লোকজনদের হাতেই রাম দা, ধারালো অস্ত্র, রড ও লাঠিসোটা দেখা গেছে। সেই সঙ্গে সংঘর্ষ নিয়ে থানা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পাল্টাপাল্টি একে অন্যদের দোষারোপ করেছেন। এ সময় দুটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি ভাংচুর ও একটি ডাইং ফ্যাক্টরির ভেতরে প্রবেশ করে কাপড়ের গাইডে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। ভাংচুর করা হয় দুটি অটোরিকশা ও একটি ট্রাক। একটি গার্মেন্টস কারখানার কাপড় রাস্তায় ফেলে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়।

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন। বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ফতুল্লার বটতলা এলাকায় সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে।সংঘর্ষের দুই গ্রুপের লোকজনদের হাতেই রাম দা, ধারালো অস্ত্র, রড ও লাঠিসোটা দেখা গেছে। সেই সঙ্গে সংঘর্ষ নিয়ে থানা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পাল্টাপাল্টি একে অন্যদের দোষারোপ করেছেন। এ সময় দুটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি ভাংচুর ও একটি ডাইং ফ্যাক্টরির ভেতরে প্রবেশ করে কাপড়ের গাইডে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। ভাংচুর করা হয় দুটি অটোরিকশা ও একটি ট্রাক। একটি গার্মেন্টস কারখানার কাপড় রাস্তায় ফেলে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বুধবার বিকালে ফতুল্লা ইউনিয়ন বিএনপি উদ্যোগে সন্ত্রাস, নৈরাজ্য মাদকের বিরুদ্ধে শান্তি মিছিলের আয়োজন করা হয়। ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে সামনে এগিয়ে গেলেই প্রতিপক্ষের বিএনপির কর্মীরা হামলা চালায়। 

ফতুল্লা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাসান মাহমুদ পলাশ অভিযোগ করেন, এলাকায় মিল ফ্যাক্টরিতে আধিপত্য বিস্তার করার জন্য ফতুল্লা থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরীর নির্দেশে মিছিলে অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে চলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ। সংঘর্ষে হোসেন গার্মেন্টস কারখানা ভাংচুর এবং হোসেন ডায়িং কারাখানার ভেতরে ঢুকে দুর্বৃত্তরা ডায়িং কারখানার কাপড়ের গাইডে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় বিসমিল্লাহ গার্মেন্টস কারখানার ১১ কেজি কাপড় গাড়ি থেকে নামিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। 

হোসেন গার্মেন্টস এবং ডায়িং করার মালিক অভিযোগ করেন, গার্মেন্টসের জুট (পরিত্যক্ত কাপড়) ব্যবসা নেয়ার জন্য একটি লিস্ট দেয় রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী। সেই তালিকা অনুযায়ী ব্যবসা না দেয়ায় রিয়াদ চৌধুরী গার্মেন্টসে হামলা ও ভাংচুর করেছে। আমার ডায়িং ফ্যাক্টরিতে ঢুকে ডায়িং করার জন্য রাখা বিপুল পরিমাণ ফেব্রিক্সে আগুন দেয়। 

ফতুল্লা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাসান মাহমুদ পলাশ অভিযোগ করেন, শিল্পকারখানায় আধিপত্য বিস্তার করার জন্য রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী নেতৃত্বে হুমকি ধমকি দিয়ে যাচ্ছে। যে কারণে জেলা বিএনপির সভাপতি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিনের নির্দেশে ইউনিয়ন বিএনপি শান্তি মিছিল বের করে। সেই মিছিলে আজ হামলা হয়েছে। 

তবে ফতুল্লা থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী বলেন, আওয়ামী লীগ নেতা ওলা মাসুদ, আক্তার বিএনপির শান্তি মিছিলে গুলি ও হামলা করেছে। গত ১৭ বছর ধরে বিএনপির রাজনীতি করে জেল জুলম নির্যাতন সহ্য করেছি। গিয়াস উদ্দিনের বিরুদ্ধে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দেয়া আমর বিরুদ্ধে এসব মিথ্যা কথা ছড়ানো হচ্ছে। 

ফতুল্লা থানার ওসি সালায়ন মাহমুদ জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও মিল কারখানার ব্যবসা বাণিজ্য নিজেদের দখলে নেয়ার জন্য বিএনপির বিবদমান দুই গ্রুপ সংঘর্ষে জড়িয়ে হামলা ভাংচুর ও করেছে। এসময় দুটি কারখানা ভাংচুর ও আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। তবে কোন পক্ষ থানায় অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানালেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।

আরও