রাজধানীর ৭১১ বাসে ই-টিকিট চালু হচ্ছে আগামীকাল

রাজধানীর আরো ১৫ কোম্পানির ৭১১টি বাসে ই-টিকিটিং ব্যবস্থা চালু হচ্ছে। মোহাম্মদপুর, আজিমপুর ও গাবতলী থেকে চলাচল করে এই সব যানবাহন

রাজধানীর আরো ১৫ কোম্পানির ৭১১টি বাসে ই-টিকিটিং ব্যবস্থা চালু হচ্ছে। মোহাম্মদপুর, আজিমপুর ও গাবতলী থেকে চলাচল করে এই সব যানবাহন।

আজ সোমবার (৯ জানুয়ারি) ইস্কাটনে ঢাকা বাস মালিক সমিতির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানান সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্যাহ।

ই-টিকিটিংয়ে যুক্ত হওয়া কোম্পানিগুলো হলো- ভূঁইয়া এন্টারপ্রাইজ, স্বাধীন লাইন পরিবহন, দেওয়ান এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড, মালঞ্চ পরিবহন লিমিটেড, তরঙ্গ প্লাস ট্রান্সপোর্ট লিমিটেড, আলিফ এন্টারপ্রাইজ (১), আলিফ এন্টারপ্রাইজ (২), অভিনন্দন ট্রান্সপোর্ট লিমিটেড, বিকাশ পরিবহন লিমিটেড, গাবতলী এক্সপ্রেস লিমিটেড, মেঘলা ট্রান্সপোর্ট কোং লিমিটেড, ভিআইপি অটো মোবাইলস লিমিটেড, রমজান আলী এন্টারপ্রাইজ, মিডলাইন পরিবহন লিমিটেড এবং স্বপ্ন পরিবহন লিমিটেড।

এনায়েত উল্লাহ বলেন, ‘শহর ও শহরতলী রুটের বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়সহ বিভিন্ন অনিয়ম দূর করার জন্য আমরা পরীক্ষামূলকভাবে গত বছরের ২২ সেপ্টেম্বর মিরপুর ভিত্তিক ঢাকার আটটি পরিবহন কোম্পানি এবং ১৩ নভেম্বর ২২টি পরিবহন কোম্পানিসহ মোট ৩০টি কোম্পানির মোট এক হাজার ৬৪৩টি বাসে ই-টিকিটিং পদ্ধতি চালু করেছি।’

৩০টি কোম্পানির ৭০-৭৫ শতাংশ গাড়িতে ই-টিকিটিং পদ্ধতি কার্যকর হয়েছে বলে জানান তিনি।

আরো বলেন, বাকি গাড়িতে কার্যকর করার লক্ষ্যে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির তিনটি পরিদর্শক দল প্রতিদিন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এছাড়া সমিতির নিয়োগ দেয়া ৯ জন বিশেষ চেকার প্রতিদিন রোডে মনিটরিং করছে। যে সকল গাড়ি এখনো নিয়মের মধ্যে আসেনি তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

যাত্রীদের অভিযোগ প্রসঙ্গে এই বাস মালিক নেতা বলেন, ‘যাত্রীদের অভিযোগ ই-টিকিটিংয়ের দূরত্ব অনুযায়ী কিলোমিটার উল্লেখ নাই। কিলোমিটার উল্লেখ করে ভাড়ার চার্ট তৈরি করার জন্য আমরা বিআরটিএ-কে অনুরোধ জানিয়েছি। ভাড়ার চার্ট তৈরি করা হলে ডিভাইসে কিলোমিটার উল্লেখ করে দেয়া হবে।’

আরও