গতকাল বিকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল রিফাতের নেতৃত্বে জামতলী, নিংগুইন, বাস টার্মিনালসহ চারটি পাম্পে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় নিংগুইন ভাটোপাড়া এলাকায় মাটির নিচ থেকে ১০ হাজার লিটার ডিজেল উদ্ধার করা হয়।
মাটির নিচে পানির ট্যাংক বসিয়ে জ্বালানি তেল মজুদ করে রাখা হয়। পরে জ্বালানি তেল সংরক্ষণ করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অভিযোগে ব্যবসায়ী মো. রুবেল হোসেনকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল রিফাত। এছাড়া পেট্রল পাম্পগুলোর বাংকারে কী পরিমাণ তেল রয়েছে, সেগুলোও পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় বোরো মৌসুমে সেচ সুবিধার জন্য চাষীরা যেন হয়রানির শিকার না হন, সেজন্য পাম্প মালিকদের নির্দেশও দেন তিনি। পাশাপাশি জ্বালানি তেল মজুদ থাকা সাপেক্ষে সরকার নির্ধারিত পরিমাণে তেল দেয়ার জন্যও নির্দেশনা দেয়া হয়।
মো. রুবেল হোসেন নিংগুইন ভাটোপাড়া মহল্লার মো. বেল্লাল হোসেনের ছেলে। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শাহাদত হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা খন্দকার ফরিদ, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. তাশরিফুল ইসলাম প্রমুখ।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল রিফাত বলেন, ‘কৃত্রিম সংকট তৈরি করে এলাকার কিছু ব্যবসায়ী বেশি দামে জ্বালানি তেল বিক্রি করার পরিকল্পনা করছেন— এমন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় তেল মজুদ করে রাখায় এক ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড দেয়া হয়। উপজেলা প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।
চলতি মৌসুমে চলনবিল অধ্যুষিত সিংড়া উপজেলায় ৩৬ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে বোরো চাষ হয়েছে। এসব জমিতে ১৪ হাজার ৩৫০টি ডিজেলচালিত ইঞ্জিন দিয়ে সেচ দেয়া হয়।