তিনটি পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে

পানি উন্নয়ন বোর্ডের ১২৭টি পর্যবেক্ষণ স্টেশনের মধ্যে ৭৫টি পয়েন্টে পানি বেড়েছে। অন্যদিকে ৪৬টি পয়েন্টে পানি কমেছে এবং ৬টি পয়েন্টে পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে।

দেশের তিনটি জেলার দুটি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আজ বুধবার (২২ জুলাই) সকাল ৯টার তথ্য অনুযায়ী এ পরিস্থিতি নিশ্চিত করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বাপাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সিলেট, সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোণা জেলার তিনটি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপরে রয়েছে। কুশিয়ারা নদীর সিলেট ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে ৩৫ সেন্টিমিটার এবং সুনামগঞ্জের মারকুলি পয়েন্টে ২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া নেত্রকোণার কলমাকান্দা পয়েন্টে সোমেশ্বরী নদীর পানি বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার ওপরে রয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের ১২৭টি পর্যবেক্ষণ স্টেশনের মধ্যে ৭৫টি পয়েন্টে পানি বেড়েছে। অন্যদিকে ৪৬টি পয়েন্টে পানি কমেছে এবং ৬টি পয়েন্টে পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে।

এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের ভেতরে সর্বোচ্চ ৬৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। একই সময়ে বাংলাদেশের উজানে ভারতের মেঘালয়ের মাওকিরওয়াতে সর্বোচ্চ ৬৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত পরিলক্ষিত হয়েছে।

বর্তমানে বেশ কিছু নদ-নদীর পানি সতর্কসীমায় বা বিপৎসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে। এর মধ্যে রয়েছে সিলেটের কানাইঘাট, সুনামগঞ্জ ও ছাতক পয়েন্টে সুরমা নদী। এছাড়া সিলেটের অমলশীদ, শেওলা ও শেরপুর পয়েন্টে কুশিয়ারা নদী এবং সুনামগঞ্জের দেরাই পয়েন্টে পুরাতন সুরমা নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি রয়েছে।

উত্তরাঞ্চলে কুড়িগ্রামের পাটেশ্বরী পয়েন্টে দুধকুমার নদী এবং নীলফামারীর ডালিয়া, রংপুরের কাউনিয়া ও গাইবান্ধার তারাপুর ও হরিপুর পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি সতর্কসীমায় রয়েছে। পাশাপাশি কুড়িগ্রামের হাতিয়া ও চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্র নদী এবং গাইবান্ধার ফুলছড়ি ও সাঘাটা, বগুড়ার সারিয়াকান্দি এবং জামালপুরের জগন্নাথগঞ্জ পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমার কাছ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

আরও