রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ছাত্র সালাহউদ্দিন আম্মার বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক বা জিএস নির্বাচিত হন চলতি বছর অক্টোবরে। এরপর তার বিভিন্ন কর্মকাণ্ড বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। এখতিয়ারবহির্ভূত কর্মকাণ্ড, শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হয়রানি ও বিতর্কিত মন্তব্য করা নিয়ে নানা মহলে সমালোচনার মুখে পড়েছেন এ রাকসু প্রতিনিধি।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মার এখতিয়ারবহির্ভূতভাবে বিভিন্ন বিষয়ে অযাচিত বিতর্কে জড়াচ্ছেন। তার এসব আচরণ ও কর্মকাণ্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশকে বাধাগ্রস্ত করছে।
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে ১৯ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ মিছিলে আম্মার বলেন, ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের মদদপুষ্ট কোনো শিক্ষক, কর্মকর্তা বা কর্মচারী যদি চাকরি করে তাদেরকে আগামী রোববার থেকে কলার ধরে টেনে টেনে প্রশাসনিক ভবনের সামনে বেঁধে রাখব।’ তার এমন মন্তব্যের পর বিএনপিপন্থী শিক্ষক সংগঠন ও রাবি শাখা ছাত্রদল বিবৃতি দেয়।
আম্মারকে নিয়ে সবচেয়ে বেশি বিতর্ক তৈরি হয়েছে ছয়জন ডিনকে জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করা নিয়ে। ২০২৩ সালের ১৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত ডিন নির্বাচনে ছয়টি পদে তৎকালীন ক্ষমতাসীন, বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল আওয়ামী লীগপন্থী প্যানেলের প্রার্থীরা নির্বাচিত হন। ১৭ ডিসেম্বর তাদের মেয়াদ শেষ হয়। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী নতুন নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত তাদের দায়িত্বে থাকার নির্দেশ দেন উপাচার্য। ১৮ ডিসেম্বর ‘আওয়ামীপন্থী ডিনদের পদত্যাগ এবং ফ্যাসিবাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের’ অপসারণের দাবি করেন জিএস আম্মার। একই সঙ্গে আওয়ামীপন্থী ডিনদের পদত্যাগের জন্য সময় বেঁধে দেন তিনি। ২১ ডিসেম্বর সকালে ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আজ সাড়ে ১০টা থেকে একে একে ছয় আওয়ামীপন্থী ডিনের কাছে পদত্যাগপত্র নিয়ে যাব। আমি বিশ্বাস করি, শান্তিপূর্ণভাবে তারা স্বাক্ষর দিয়ে দেবে।’ এরপর তিনি নিজে পদত্যাগপত্র লিখে নিয়ে ডিনস কমপ্লেক্সে যান। সেখানে গিয়ে ছয় ডিনকে না পেয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে একে একে সবাইকে ফোন করেন আম্মার। এরপর একই দাবিতে ডিনদের চেম্বার, উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, প্রক্টর, রেজিস্ট্রারসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে তালা ঝুলিয়ে দেয়া হয়। দিনভর উত্তেজনার পর সন্ধ্যায় ডিনদের সঙ্গে বৈঠক করে তাদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয় প্রশাসন। বিভিন্ন সময় বিভাগে বিভাগে ঘুরে আওয়ামীপন্থী শিক্ষক খোঁজ করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া লাঠি নিয়ে ক্যাম্পাসে মাদকবিরোধী অভিযান চালান আম্মার।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ভর্তিতে পোষ্য কোটা ইস্যুতে গত সেপ্টেম্বরে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আন্দোলন এবং কোটা বন্ধে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। ২১ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ মাঈন উদ্দীনের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান একদল শিক্ষার্থী। এ সময় উপ-উপাচার্যকে গলা চেপে ধরে ফেলে দেয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে ওই ঘটনার নেতৃত্বে ছিলেন সালাহউদ্দিন আম্মার।
রাকসুর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, ছাত্র সংগঠনটির কর্মকাণ্ড সম্পর্কে বলা হয়েছে—বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের আয়োজন, প্রতি বছরে অন্তত একটি স্টুডেন্ট জার্নাল বা ম্যাগাজিন প্রকাশ, মানবসেবা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিয়োজিত থাকা, বিভিন্ন ইস্যুতে বিতর্ক ও পাঠচক্রের আয়োজন, বছরে অন্তত একবার সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন, আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রতিযোগিতা ও শিক্ষা সম্মেলনে প্রতিনিধি প্রেরণ নিশ্চিত করা।
বর্তমান জিএস হিসেবে আম্মার যেসব কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন সেগুলো রাকসুর কাজ নয় বলে মনে করেন এর সাবেক প্রতিনিধিরা। এ বিষয়ে রাকসুর সাবেক ভিপি ও সিপিবির কেন্দ্রীয় নেতা রাগিব আহসান মুন্না বণিক বার্তাকে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা কী করলে চাকরি যাবে সেটি অধ্যাদেশে আছে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নেয়ার এখতিয়ার রাখে। গণমাধ্যমের খবরে দেখেছি, অধ্যাদেশ না মেনে শিক্ষকদের চাকরি ছেড়ে চলে যেতে বলা হয়েছে, দোসর বানাচ্ছে। অপরাধ করলে তাদের সাজা হবে। কিন্তু দলবেঁধে গিয়ে দরজায় তালা লাগানো, হুমকি দেয়া—এগুলো স্বেচ্ছাচারী মনোবৃত্তি। যেটি রাকসুর ক্ষমতায় নেই, সেটি তারা করছে। তাদের এ কাজ অবৈধ। নানা দল-মত, সংস্কৃতির মানুষ থাকবে—এটিই বিশ্ববিদ্যালয়। অপরাধ না করলেও বিপক্ষ দল করলে তাকে চাকরিচ্যুতের চেষ্টা বা অপদস্থ করার এখতিয়ার রাকসুর প্রতিনিধি কেন, কারোরই নেই।
শিক্ষার্থীদের স্বার্থে কাজ করার চেয়ে নিজেকে প্রকাশ করতেই রাকসু জিএস বেশি আগ্রহী বলে অভিযোগ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী ও শিক্ষক। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ইফতেখারুল আলম মাসউদের সঙ্গে আম্মারকে উচ্চবাচ্য করতে দেখা যাওয়ার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়।
রাবির অর্থনীতি বিভাগের এক শিক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় মূলত পড়াশোনার জায়গা। এখানে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও ছাত্র প্রতিনিধিরা প্রত্যেকে নিজের দায়িত্ব ভুলে ভিন্ন কাজে বেশি আগ্রহী। একাডেমিক প্রশাসন ও রাকসু—সবই জাতীয় রাজনীতির অংশ হয়ে গেছে। এভাবে বিশ্ববিদ্যালয় চলতে পারে না।’
রাকসু জিএসের কর্মকাণ্ড বিষয়ে জানতে চাইলে রাবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ বা ফ্যাসিস্টের বিচার দেশের প্রচলিত আইনের মাধ্যমে করতে হবে। মব তৈরি বা সন্ত্রাসী কায়দায় কিছু করা যাবে না। আম্মারের কাছে আমরা আবেদন করেছি যেন তিনি ছাত্রসুলভ আচরণ করেন এবং প্রশাসন যেন এসব উসকানি বা মব প্রশ্রয় না দেয়। বিভিন্ন কক্ষে তালা মারছে। এখানে যতজন শিক্ষক আছেন তারা তো একেক মতাদর্শের হতে পারেন। অনেক শিক্ষক ক্লাস নিতে ভয় পাচ্ছেন। অনেক শিক্ষার্থীরাও এ বিষয়ে নিন্দা জানিয়েছেন।’
এদিকে ক্যাম্পাসে মব তৈরি করে শিক্ষক অবমাননা ও তাদের হেনস্তা করার অভিযোগ তুলে শিক্ষকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠনগুলো।
রাবি শাখা ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইউট্যাব) সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাহাঙ্গীর হোসেন বণিক বার্তাকে বলেন, ‘একজন শিক্ষক হিসেবে আমি শিক্ষার্থীর কর্মকাণ্ড মূল্যায়ন করি তার দায়িত্ব ও অবস্থান বিবেচনায়। রাকসুর একজন নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে তার (আম্মার) উচিত ছিল শালীন ও দায়িত্বশীল ভাষায় কথা বলা। অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকে আমরা সমর্থন করি, কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে তার মুখের ও শারীরিক ভাষা যেভাবে প্রকাশ পাচ্ছে, তা শুধু শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্ক নয়, বরং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তিকেও ক্ষুণ্ন করছে। আমাদের উদ্বেগের জায়গা হলো, এ আচরণ শিক্ষাঙ্গনে নৈতিকতা ও শালীনতার পরিবর্তে ভিন্ন একটি প্রবণতা তৈরি করছে কিনা। পাশাপাশি তিনি কোনো দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছেন কিনা সেটিও আমাদের কাছে স্পষ্ট নয়।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের উদ্বেগের বিষয় হলো শিক্ষকদের গায়ে হাত তোলা, ক্লাসে তালা দেয়া বা কারো ছুটি নির্ধারণ করার মতো কর্মকাণ্ড রাকসুর গঠনতন্ত্রে কোথাও অনুমোদিত আছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। একজন শিক্ষার্থী তার শিক্ষাসংক্রান্ত মৌলিক দাবিতে গঠনমূলক আন্দোলন করতে পারে, কিন্তু অশালীন ভাষা ব্যবহার, শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য বা বিকৃত রাজনৈতিক বক্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক আ-আল মামুন বণিক বার্তাকে বলেন, ‘আম্মার এবং শিবির সভাপতির বক্তব্যে হুবহু মিল রয়েছে। তার মানে আম্মারের প্রতি সংগঠনটির সমর্থন আছে। সামগ্রিকভাবে পড়ালেখার পরিবেশ বাস্তবেই বিঘ্নিত হয়েছে। মতাদর্শিক অবস্থান থাকবে, রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি থাকবে। কিন্তু সেটা দিয়ে যদি অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি হয় এবং তা কোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তির কাছ থেকে আসে, তাহলে সেটা খুবই উদ্বেগজনক।’
সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান বণিক বার্তাকে বলেন, ‘প্রথমে ভাবা উচিত নিজেদের মধ্যে কতটুকু ইনসাফ হচ্ছে। আসলে চাইলেই কোনো শিক্ষককে সে (আম্মার) পদত্যাগ করাতে পারে না। শিক্ষক খুনি হলেও দেশে আইন আছে, যথাযথ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সমাধান করতে হয়।’
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে গত রাতে রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারকে মুঠোফোনে কল করা হলে তিনি জানান, শরিফ ওসমান হাদির খুনিদের সাজার দাবিতে রাজধানীর শাহবাগের আন্দোলনে আছেন, সেজন্য কথা বলতে পারবেন না। তবে সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমকে দেয়া তার বক্তব্যকেই নিজের অবস্থান বলে জানান। ওই গণমাধ্যমকে দেয়া বক্তব্যে আম্মার বলেন, ‘আমি ক্যাম্পাসে যা করি সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্যই করি। অধিকাংশ শিক্ষার্থী যেটা সমর্থন করে, আমি সেটাই করি। আমি জানি, শেষ পর্যন্ত হয়তো সার্টিফিকেট নিয়ে যেতে পারব না। কিন্তু আমি শিক্ষার্থীদের জন্য যা করে যাব, সেটাই থেকে যাবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য যখনই কিছু করতে চাই, তখনই একটা পক্ষ বিরক্ত হয়। কখনো বিএনপিপন্থী, কখনো জামায়াতপন্থী শিক্ষকরা। আমি দেখছি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরপেক্ষ কোনো শিক্ষক নেই। প্রত্যেকেই নিজ নিজ দলীয় স্বার্থ নিয়ে ব্যস্ত। আমি ব্যক্তিগতভাবে কোনো দলের সঙ্গে নেই। যতদিন ক্যাম্পাসে আছি শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করে যাব।’
গতকাল সালাহউদ্দিন আম্মারসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচিত ছাত্র প্রতিনিধিদের এখতিয়ারবহির্ভূত কার্যক্রমের নিন্দা জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক। গতকাল শিক্ষকদের এ প্লাটফর্মের এক বিবৃতিতে রাবিতে ছয়জন ডিনকে পদত্যাগে বাধ্য করা, শিক্ষকদের হয়রানির বিষয় উঠে আসে।
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্কের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী মারুফুল ইসলাম বণিক বার্তাকে বলেন, ‘গণমাধ্যমে আমরা যেটা দেখেছি আম্মার একজন শিক্ষার্থী হিসেবে তার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পদত্যাগ দাবি করছে। সেই শিক্ষকদের মধ্যে ছয়জন ডিন ও আরো কিছু শিক্ষক রয়েছেন এবং কুৎসিত ভাষায় তাদের ব্যাপারে মন্তব্য করেছেন তিনি। এটা একজন শিক্ষার্থীর কাছে কোনোভাবে প্রত্যাশিত না। এটা শিক্ষক-ছাত্রের যে চিরন্তন সম্পর্ক, সেই সম্পর্কের একটা চরম অপমান হিসেবে দেখছি। এটা করার এখতিয়ার কোনো শিক্ষার্থীর নেই। তিনি ছাত্র সংসদের নেতা হোন বা যে-ই হোক না কেন। এ ধরনের আচরণ আমরা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়েও দেখছি। নির্বাচিত ছাত্র নেতৃত্বের এ ধরনের অসৌজন্যমূলক আচরণ সামগ্রিকভাবে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করে। যেটা বাংলাদেশের জন্য খুবই অশনিসংকেত বলে মনে করি।’
প্রতিবেদনটি তৈরিতে সহায়তা করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি