শরীয়তপুর সদর উপজেলার চিতলিয়া ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি নিহত হয়েছেন। এ সময় আরো ১৭ জন আহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার সকালে ঈদের জামায়ত শেষে বাড়ি ফেরার পথে মজুমদ্দার কান্দি গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
নিহত কুদ্দুস বেপারী চিতলিয়া ইউনিয়নের মজুমদ্দার কান্দি গ্রামের বাসিন্দা ও চিতলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ২নং ওয়ার্ড সভাপতি।
পুলিশ জানায়, সকালে চিতলিয়া ইউনিয়নের মজুমদ্দার কান্দি গ্রামের ঈদের জামাত শেষে স্থানীয় আওয়ামী লীগের বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম হাওলাদার ও থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হারুন হাওলাদারের সমর্থকদের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ ঘটনা ঘটে। এ সময় ২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি কুদ্দুস বেপারীসহ প্রায় ১৭ জন গুরুতর আহত হয়ে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে আহতদের মধ্যে কুদ্দুস বেপারীকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
এছাড়া আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য দুইজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় চিতলিয়া এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। সংঘর্ষে এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আক্তার হোসেন।