খাতভিত্তিক গবেষণায় গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিবের

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন বলেছেন, গবেষণার বিষয় নির্বাচন করতে হবে খাতভিত্তিক (সেক্টর স্পেসিফিক) এবং এমন প্রকল্পকে অগ্রাধিকার দিতে হবে, যার বাস্তব ফলাফল ও প্রভাব (ইমপ্যাক্ট) দৃশ্যমান হবে।

আজ সোমবার রাজধানীর বিজয় সরণিতে নভোথিয়েটারের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ‘২০২৪-২৫ অর্থবছরে গবেষণা ও উন্নয়ন (আরঅ্যান্ডডি) প্রকল্পগুলোয় অনুদানপ্রাপ্ত প্রকল্প পরিচালকদের গবেষণা কার্যক্রম অবহিতকরণবিষয়ক সেমিনার-২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সচিব বলেন, যেসব গবেষণা প্রকল্পের বাস্তব ফলাফল পাওয়া যাবে এবং যার ইতিবাচক প্রভাব থাকবে, সেসব প্রকল্পকে গুরুত্ব দিতে হবে। প্রয়োজনীয় অর্থায়নের ক্ষেত্রে সরকার সহযোগিতা করবে।

গবেষণা ও প্রযুক্তি উন্নয়নের মাধ্যমে ভিয়েতনামের অগ্রগতির উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, ১৯৮০ ও ১৯৯০-এর দশকে দেশটি বাংলাদেশের তুলনায় পিছিয়ে থাকলেও প্রযুক্তি ও গবেষণায় বিনিয়োগের ফলে বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে এগিয়ে গেছে। আর্থসামাজিক উন্নয়নে প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, যেসব খাতে বাংলাদেশের তুলনামূলক সুবিধা (কম্পারেটিভ অ্যাডভান্টেজ) রয়েছে, সেসব খাতকে কেন্দ্র করে গবেষণা পরিচালনা করতে হবে। একইসঙ্গে গবেষণার ফলাফল জনকল্যাণে ব্যবহার করে উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার বিষয়টি গবেষকদের মাথায় রাখতে হবে।

নভোথিয়েটারের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম।

সেমিনারে বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও বায়োটেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজমুল আহসান, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আব্দুল বাসেত ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধি হিসেবে এপেক্স ফুটওয়্যার, লেদার গুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্সের রিসার্চ পলিসি বিভাগের মাহমুদা সুলতানা।

অনুষ্ঠানে গবেষকরা তাদের গবেষণা কার্যক্রম উপস্থাপন করেন এবং প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।

আরও