স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের পর সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। এজন্য রফতানিনির্ভর চারটি খাতের সক্ষমতা বাড়াতে ১৬ সদস্যের একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির নেতৃত্ব দেবেন প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের মুখ্য সচিব।
মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর এলডিসি থেকে বাংলাদেশের চূড়ান্ত উত্তরণের পর রফতানিনির্ভর খাতে সাবসিডি বা নগদ সহায়তা দেয়া যাবে না। এ অবস্থায় চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাটজাত পণ্য, কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য এবং ওষুধ শিল্পের রফতানি সক্ষমতা কীভাবে বাড়ানো যায়, তা পর্যালোচনার জন্যই এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়েছে, সম্ভাবনাময় এই চার খাতের রফতানি বাড়াতে কী ধরণের নীতিগত সহায়তা বা সুবিধা দেয়া যেতে পারে, তা নির্ধারণ করবে কমিটি। সেই সঙ্গে সময় নির্ধারিত একটি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন, মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর গৃহীত কার্যক্রম নিয়মিত মূল্যায়ন, অগ্রগতি পর্যালোচনা ও কার্যক্রম বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার দায়িত্বও থাকবে এই কমিটির ওপর।
কমিটি প্রয়োজনে প্রতিবেদনে উল্লেখিত সুপারিশ ছাড়াও বাস্তবতা ও প্রাসঙ্গিকতা বিবেচনায় নতুন কোনো সুবিধার বিষয়েও সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। কমিটি চাইলে এক বা একাধিক সদস্যকে কো-অপ্টও করতে পারবে।
কমিটির সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ সচিব, বাণিজ্য সচিব, পররাষ্ট্র সচিব, শিল্প সচিব, কৃষি সচিব, বস্ত্র ও পাট সচিব, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান, বিএসটিআই মহাপরিচালক, রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান, ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিসিক চেয়ারম্যান ও ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই সভাপতি। কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের মহাপরিচালক।