ত্রাণের চাল আত্মসাতের মামলা

মণিরামপুর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে তদন্ত হচ্ছে

সরকারি ত্রাণের চাল আত্মসাতের মামলায় যশোরের মণিরামপুর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান উত্তম চক্রবর্তী বাচ্চুর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হচ্ছে আজ।

সরকারি ত্রাণের চাল আত্মসাতের মামলায় যশোরের মণিরামপুর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান উত্তম চক্রবর্তী বাচ্চুর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হচ্ছে আজ। অতিরিক্ত খুলনা বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম তদন্তকাজ শুরু করবেন। ২০২০ সালের ৫৪৯ বস্তা ত্রাণের চাল ভাইস চেয়ারম্যান উত্তম কুমার চক্রবর্তী বাচ্চু বেশি মুনাফার লোভে কালোবাজারে বিক্রি করে দেন। পরবর্তী সময়ে জেলা ডিবি পুলিশ তদন্ত শেষে ভাইস চেয়ারম্যান বাচ্চুসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা পরিষদে আজ তদন্ত শুরু হচ্ছে। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে তাকে সাময়িক বহিষ্কারসহ শাস্তির আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। 

অতিরিক্ত খুলনা বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম জানান, করোনাকালে ত্রাণের চাল আত্মসাতের ঘটনায় ভাইস চেয়ারম্যান উত্তম কুমার চক্রবর্তী বাচ্চুর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হচ্ছে। এতদিন নানা কারণে করা হয়নি। ওই ঘটনায় সাক্ষ্যপ্রমাণসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ তাকে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে স্থানীয় সরকারের আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের এপ্রিল খুলনার মহেশ্বরপাশা থেকে যশোরের মণিরামপুরের উদ্দেশে পাঁচ ট্রাক সরকারি ত্রাণের চাল আসে। যার মধ্যে থেকে এক ট্রাক চাল গুদামে না রেখে স্থানীয় ভাই ভাই রাইস মিলে পাঠানো হয়। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে ৫৪৯ বস্তা চাল উদ্ধার এবং মিলমালিক ট্রাক চালককে আটক করে।

ঘটনায় আটক দুজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। ওই জবানবন্দিতে তারা মণিরামপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান উত্তম চক্রবর্তী বাচ্চুসহ কয়েকজনের নাম প্রকাশ করেন তারা।

আরও