গতকাল জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম তাকে শপথবাক্য পাঠ করান।
সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় জাতীয় সংসদের স্পিকারের কার্যালয়ে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের এ শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ-১৪৮-এর তৃতীয় তফসিল ও জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি-৫ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকার নুসরাত তাবাসসুমকে শপথবাক্য পাঠ করান। শপথ গ্রহণ শেষে রীতি অনুযায়ী সংসদ সচিবের রুমে শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য।
শপথ অনুষ্ঠানে ডেপুটি স্পিকার, বিরোধী দলের চিফ হুইপ ও সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সোমবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনে জামায়াতে ইসলামী জোটের প্রার্থী নুসরাত তাবাসসুম জ্যোতিকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এরপর ওই দিন রাতেই তাকে নির্বাচিত ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করা হয়।
গত ২১ এপ্রিল মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিনে নির্ধারিত সময় শেষের ১৯ মিনিট বিলম্বে আসায়, রিটার্নিং কর্মকর্তা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেত্রী নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেননি। পরে তিনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করলে আদালত তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করে যাচাই-বাছাইয়ের নির্দেশ দেন। আদালতের সে নির্দেশনার আলোকেই ২ মে তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করে ইসি এবং গত সোমবার তাকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়।
নুসরাত তাবাসসুম জ্যোতির নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনের সবক’টির নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলো।
গত ৩০ এপ্রিল নির্বাচন কমিশন সংরক্ষিত মহিলা আসনের ৪৯ জন সংসদ সদস্যের নামের চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে। প্রকাশিত ওই গেজেট অনুযায়ী, শূন্য পদের বিপরীতে সমানসংখ্যক প্রার্থী থাকায় বিএনপি জোট থেকে ৩৬ জন, জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোট থেকে ১২ জন এবং স্বতন্ত্র জোট থেকে একজন নারী সংসদ সদস্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।