এনবিআরের বিরুদ্ধে তথ্য না দেয়ার অভিযোগ দুদকের

দুদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত ১৭ এপ্রিল এনবিআরের কাছে প্রয়োজনীয় রেকর্ড ও নথিপত্র চেয়ে প্রথম চিঠি পাঠানো হয়। কিন্তু কোনো তথ্য সরবরাহ না করায় ১৯ মে আবার চিঠি দেয়া হয় এনবিআর চেয়ারম্যানকে। পরে ২১ মে এনবিআর চিঠিটি গ্রহণ করলেও এখন পর্যন্ত কোনো রেকর্ড বা তথ্য দেয়নি।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক চেয়ারম্যান আবু হেনা রহমাতুল মুনীম ও সাবেক প্রথম সচিব (প্রশাসন: ভ্যাট ও কাস্টমস) মো. ঈদতাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে প্রয়োজনীয় তথ্য চেয়েও পাচ্ছে না দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এতে অনুসন্ধান কাজে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে বলে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে।

দুদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত ১৭ এপ্রিল এনবিআরের কাছে প্রয়োজনীয় রেকর্ড ও নথিপত্র চেয়ে প্রথম চিঠি পাঠানো হয়। কিন্তু কোনো তথ্য সরবরাহ না করায় ১৯ মে আবার চিঠি দেয়া হয় এনবিআর চেয়ারম্যানকে। পরে ২১ মে এনবিআর চিঠিটি গ্রহণ করলেও এখন পর্যন্ত কোনো রেকর্ড বা তথ্য দেয়নি।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর আবু হেনা রহমাতুল মুনীম, মো. ঈদতাজুল ইসলামসহ অন্যদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু হয় কমিশনের বিশেষ তদন্ত শাখা থেকে। দুদকের উপপরিচালক মো. সাইদুজ্জামান ও উপসহকারী পরিচালক মো. মিজানুর রহমান এই অনুসন্ধানের দায়িত্বে রয়েছেন।

দুদকের চিঠিতে বলা হয়েছে, অভিযোগের স্বচ্ছ অনুসন্ধানের জন্য এনবিআরের কাছে এস আলম গ্রুপ, বেক্সিমকো, সামিট, বসুন্ধরা ও টিকে গ্রুপের বিরুদ্ধে কর ফাঁকি, রাজস্ব মওকুফ ও অর্থপাচারের অভিযোগ সংক্রান্ত যাবতীয় নথিপত্র, রিপোর্ট ও নোটশিট প্রয়োজন। বিশেষভাবে এস আলম গ্রুপের তিন হাজার কোটি টাকা ও বেক্সিমকোর ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকার ভ্যাট মওকুফ সম্পর্কিত তথ্যও চাওয়া হয়েছে।

দুদক সূত্রে আরো জানা গেছে, অভিযুক্ত দুই সাবেক কর্মকর্তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। তবে এনবিআর তথ্য সরবরাহ না করায় অনুসন্ধানের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

তথ্য সরবরাহ না করার কারণ জানতে চাইলে এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান কোনো মন্তব্য করেননি।

আরও