নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার সাইনবোর্ড সাহেবপাড়া এলাকায় গ্যাসের আগুনে দগ্ধ একই পরিবারের ৮ সদস্যের মধ্যে আরো একজন নিহত হয়েছেন। নিহতের নাম আবুল বাশার ইমন (২৮)।
আজ সোমবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর বাচ্চু মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ভোর সাড়ে ৫টার দিকে গ্যাসের চুলায় আগুন ধরাতে গিয়ে আগুনে দগ্ধ হন নুরজাহান বেগম (৭০)। গ্যাসের চুলার চাবি চালু রেখে রাতে ঘুমিয়ে পড়ায় গ্যাস বের হয় পুরো ঘরে ছড়িয়ে যাওয়ার কারণে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে যায়। এসময় তাকে বাঁচাতে গিয়ে দগ্ধ হন দুই ছেলে-মেয়ে-নাতিসহ একই পরিবারের আট সদস্য।
এর আগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঘটনার দিনই মারা যান নুরজাহান বেগম। এর পরেরদিনই মারা যান নুরজাহান বেগমের ছেলে কিরণ মিয়াও (৫৫)। আজ সেই পথেই গেলেন কিরণ মিয়ার পুত্র আবুল বাশার ইমন (২৮)। চিকিৎসকরা জানান, তার শরীরের ৪৫ শতাংশই পুড়ে গিয়েছিল।
এছাড়াও দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও একই পরিবারের ৫ সদস্য। তারা হলেন, কিরণ মিয়ার আরেক ছেলে আপন মিয়া (১০), ছোট ভাই হিরণ মিয়া (২৮), হিরণের স্ত্রী মুক্তা (২১), তাদের মেয়ে ইলমা (৩) এবং কিরণের ভাগনে কাউছার (১৬)।
এ ব্যাপারে নিহত ইমনের খালু মোস্তফা খান জানান, দুপুরে ইমনের লাশ সাইনবোর্ড সাহেবপাড়া এলাকায় নিয়ে আসা হয়। বিকেলে সাহেবপাড়া এলাকার কবরস্থানে নিহত ইমনের পিতা কিরণ মিয়া ও দাদি নূরজাহানের কবরের পাশে দাফন করা হয়েছে।