রাঙ্গামাটির সাপছড়ি এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাস উল্টে অন্তত ১৯ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত একজনকে চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছে। অন্য ১২ জনকে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহতদের মধ্যে চট্টগ্রামে পাঠানো হয় তুহিন চাকমাকে (২৬)। হাসপাতালে ভর্তি করা হয় রমেল চাকমা (২৪), অন্তরা চাকমা (২৪), তুয়েল চাকমা, সবিনয় চাকমা, দয়ারানী চাকমা (৩৫), সুচরিতা চাকমা, রিপন চাকমা (৩৪), শুভ দেবী চাকমা (২০), বিপিন চাকমা (২৬), শেফালিকা চাকমা (৫৫)। আউটডোরে চিকিৎসা নিয়েছেন ভূবেনতু চাকমা (১৯), সুয়েনতু চাকমা (২৮), বিটনা চাকমা (২৬), রিপ রিপ চাকমা (৭ মাস), খোকন চাকমা (২৭), শুভ চাকমা, জয়া চাকমা (২২) ও ফর্সা চাকমা। আহতরা সবাই নানিয়ারচর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা।
জানা গেছে, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি নানিয়ারচর উপজেলা থেকে চট্টগ্রামের দিকে যাচ্ছিল। বাসে থাকা যাত্রীরা জানিয়েছেন, ঈদের ছুটি শেষে তারা চট্টগ্রামের বিভিন্ন পোশাক কারখানায় কাজে ফিরছিলেন। পথে গাড়ির ব্রেক ফেল করলে চালক গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারান। তখন বাসটি উল্টে যায়। বাসটিতে প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ জন যাত্রী ছিলেন।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত উদ্ধার কাজ শুরু করেন এবং আহতদের হাসপাতালে পাঠান। পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরাও উদ্ধার কাজে অংশ নেন।
রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম মোটর মালিক সমিতির কার্যকরী সভাপতি সাইফুল ইসলাম শাকিল জানিয়েছেন, বাসে থাকা অনেকেই আহত হয়েছেন। আহতদের চিকিৎসার বিষয়ে সব ধরনের সহায়তা করা হচ্ছে।
রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক শওকত আকবর খান জানিয়েছেন, এ দুর্ঘটনায় মোট ১৯ জন আহত হয়ে হাসপাতালে এসেছেন। এর মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
পুলিশ দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি উদ্ধার করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।