দেশের সব গভীর ও অগভীর নলকূপকে সোলারের আওতায় আনার জন্য সরকার প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে। সরকার আগামী এক বছরের মধ্যে এ কাজ সম্পন্ন করার চেষ্টা করবে। সেচ পাম্প সোলারে চললে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় হবে। এতে দেশের অর্থনীতি আরো গতিশীল হবে।’
গতকাল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ বিতর্ক পরিষদ আয়োজিত নবম আন্তঃবিভাগ বিতর্ক প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
কৃষক কার্ডের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘দেশের অর্থনীতি কৃষিনির্ভর। সরকার নির্বাচনী অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে এরই মধ্যে কৃষক কার্ড বিতরণ করেছে। কৃষক কার্ড চালুর উদ্দেশ্য চাহিদামাফিক ফসল উৎপাদন ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে সারা দেশের কৃষি একটি ডেটাবেজের আওতায় আসবে। চাহিদার বাইরে কোনো ফসল উৎপাদন হবে না। কৃষক অনলাইনের মাধ্যমে জানতে পারবে কোন জমিতে কী ফসল, কত পরিমাণে চাষ করতে পারবেন। তাহলে বাড়তি ফসলও উৎপাদন হবে না। ফসলের দাম না পেয়ে কৃষকও পথে বসবে না।’
মন্ত্রী ভিক্টোরিয়া কলজের বিতার্কিক ও শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘সহশিক্ষা কার্যক্রম শিক্ষার্থীকে বাস্তবমুখী করে গড়ে তোলে। গণতন্ত্র চর্চায় যুক্তির বিকল্প নেই। একটি যুক্তিনির্ভর সমাজ গঠনে শিক্ষার্থীদের কাজ করতে হবে।’
এর আগে বিতর্ক প্রতিযোগিতায় জয়ী বিতার্কিকদের হাতে ট্রফি তুলে দেন মন্ত্রী।