প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর ভর্তুকি কমবে ৩০০ থেকে ৩৫০ কোটি টাকা। আগামী পাঁচ বছরে এটি শূন্যের কাছাকাছি নামিয়ে আনার লক্ষ্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির।
তিনি বলেন, প্রযুক্তির মাধ্যমে আরো নিখুঁতভাবে উপকারভোগী যাচাই, অপচয় ও অনিয়ম কমানো এবং বিতরণ ব্যবস্থা আরো দক্ষ করাই সরকারের লক্ষ্য।
টিসিবি অডিটোরিয়ামে আজ সকালে ‘ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন অব টিসিবি’ কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এ কথা বলেন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান। টিসিবি চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ফয়সল আজাদ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের সরবরাহ শৃঙ্খলে এখনো প্রয়োজনীয় মসৃণতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি হয়নি। উৎপাদন পর্যায়ের মূল্য ও খুচরা পর্যায়ের মূল্যের ব্যবধান অনেক ক্ষেত্রেই গ্রহণযোগ্য নয়। আবার বিভিন্ন কারণে কোনো পণ্যের সাময়িক সংকটও তৈরি হতে পারে। এ বাস্তবতায় ভর্তুকি মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহে টিসিবির গুরুত্ব রয়েছে।
তিনি বলেন, টিসিবি এরই মধ্যে ডিজিটাল ডাটাবেজ, সিকিউরড ডিজিটাল কার্ড, সেলফ অ্যাক্টিভেশন, অনলাইন ডিলার ম্যানেজমেন্ট, ডিলার পেমেন্ট, এআইভিত্তিক রিয়েল টাইম মনিটরিং, অল-ইন-ওয়ান পিওএস, এআইভিত্তিক কন্ট্যাক্ট সেন্টার ও মোবাইল অ্যাপ চালু করেছে।
ডিজিটাল ডেটাবেজ ও কেওয়াইসি যাচাইয়ের মাধ্যমে প্রায় ৫৯ লাখ অযোগ্য আবেদনকারীকে বাদ দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারি ভর্তুকির অর্থ প্রকৃত উপকারভোগীর কাছে পৌঁছানো নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।
মন্ত্রী আরো বলেন, প্রযুক্তির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণে রিয়েল টাইম তথ্য ব্যবহার করা হবে। ডিজিটাল কার্ড, মোবাইল অ্যাপ, পিওএস ও এআইয়ের সমন্বয়ে টিসিবির সেবা আরো সহজ, স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল হবে।