মন্ত্রণালয়ের কড়া নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের উদাসীনতা ও সমন্বয়হীনতায় মাসব্যাপী সাধারণ শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পাবলিক পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রভুক্ত মাদরাসায় বিকল্প ব্যবস্থায় এবং কেন্দ্রবিহীন মাদরাসায় যথারীতি শ্রেণী কার্যক্রম সচল রাখা বাধ্যতামূলক। কোনো অবস্থাতেই পাঠদান বন্ধ রাখার সুযোগ নেই।
তবে দামুড়হুদা দারুস সুন্নাহ দাখিল মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার আসাদুল হক জানান, জেলা প্রশাসকের মৌখিক নির্দেশনায় শুধু পরীক্ষা না থাকার দিনগুলোতে আংশিক ক্লাস নিচ্ছেন তারা। এমনকি মন্ত্রণালয়ের লিখিত নির্দেশনা সম্পর্কেও তিনি অবগত নন বলে জানান।
অন্যদিকে কার্পাসডাঙ্গা ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ জুলফিকার আলী দাবি করেন, একাডেমিক সুপারভাইজারের নিষেধাজ্ঞার কারণে তিনি বিকল্প ব্যবস্থায় পাঠদান চালাতে পারছেন না। যদিও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এ দাবি অস্বীকার করেছেন। আলমডাঙ্গা ও জীবননগর ফাজিল মাদরাসার শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ক্লাস করার সুযোগ পাচ্ছে, কারণ তাদের পরীক্ষা কেন্দ্র পার্শ্ববর্তী বিদ্যালয়ে নির্ধারিত। ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া দাখিল পরীক্ষায় জেলার পাঁচটি কেন্দ্রে ১ হাজার ১৫২ পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।
এ বিষয়ে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) জেসমিন আরা খাতুন সঠিক কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। যারা এ নির্দেশ মানছেন না তাদের বিরুদ্ধে কোনো বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে কিনা, এমন প্রশ্নের কোনো জবাব দেননি তিনি।