দূতাবাস, হাইকমিশন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ৩৮ জনের দুর্নীতির অনুসন্ধানে দুদক

মালয়েশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সৌদি আরব, চীন, দুবাই, ইতালি, সুইজারল্যান্ড ও ফিলিপাইনে বাংলাদেশী দূতাবাস ও হাইকমিশনে দায়িত্ব পালন করা ৩৮ জনের দুর্নীতির অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাদের মধ্যে রাষ্ট্রদূত, হেড অব চ্যান্সেলর, প্রধান কনস্যুলার, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব ও অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীও রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে

মালয়েশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সৌদি আরব, চীন, দুবাই, ইতালি, সুইজারল্যান্ড ও ফিলিপাইনে বাংলাদেশী দূতাবাস ও হাইকমিশনে দায়িত্ব পালন করা ৩৮ জনের দুর্নীতির অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাদের মধ্যে রাষ্ট্রদূত, হেড অব চ্যান্সেলর, প্রধান কনস্যুলার, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব ও অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীও রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ ও সরকারের আর্থিক ক্ষতিসাধনের অভিযোগ রয়েছে।

অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা উপপরিচালক সৈয়দ নজরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক চিঠি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। গতকাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও মিশন অডিট অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের (ডিজি) কাছে এ চিঠি পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে এ ৩৮ জনের ২০১৬-১৭ অর্থবছরের আগের কর্মস্থল, দায়িত্বপ্রাপ্ত শাখা ও তৎকালীন সময়ের পদবি, বর্তমানে তাদের কর্মস্থল, পদবি, স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানার তথ্য চাওয়া হয়েছে। এসব তথ্য ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সরবরাহ করতে অনুরোধ করা হয়েছে। ২০১৬ সালের অভিযোগটি ২০২৪ সালে এসে গতি পেয়েছে। দুদকের বিশেষ তদন্ত শাখা থেকে এটি পরিচালনা করা হচ্ছে।

এতদিন ধীরগতির কারণ জানতে চাইলে দুদকের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বণিক বার্তাকে বলেন, ‘কোনো অনুসন্ধান ও তদন্ত কর্মকর্তাই নিজের ইচ্ছায় ফাইল ফেলে রাখেন না। অনুসন্ধান শেষ না হওয়ার কারণ এটাই। কমিশনের ইচ্ছায় আমরা অনুসন্ধান ও তদন্ত পরিচালনা করি।’

অভিযোগ ওঠা ৩৮ কর্মকর্তা-কর্মচারী হলেন— প্রথম সচিব মো. হালিমুজ্জামান, গাড়িচালক মো. আব্দুল কাদের, কাউন্সেলর ডা. মো. জাকির হোসেন খন্দকার, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. জসিম উদ্দিন, সহকারী সচিব কাজী মুনতাসির মোর্শেদ, পিও আব্দুল লতিফ ফকির, এমএলএসএস মো. আতিকুর রহমান, স্টেনোটাইপিস্ট মো. ইব্রাহিম খলিল, সচিব মো. আসগার হোসেন, মো. লুৎফর রহমান, পিও মো. কামাল হোসেন, ওয়াশিংটনের রাষ্ট্রদূত মো. আকরামুল কাদের, কানাডার অটোয়ার রাষ্ট্রদূত কামরুল আহসান, সাবেক রাষ্ট্রদূত ইয়াকুব আলী, ওয়াশিংটন ডিসির রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, ওয়াশিংটন ডিসির কনস্যুলার মো. সামসুল আলম, নিউইয়র্কের কনস্যুলার ড. একেএম আব্দুল মোমেন, কনস্যুলার জেনারেল শামীম আহসান, লস অ্যাঞ্জেলেসের কনস্যুলার জেনারেল সুলতানা লায়লা হোসাইন, যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূত মো. আব্দুল হান্নান, ডেপুটি রাষ্ট্রদূত খন্দকার এম তালহা, কনস্যুলার জেনারেল (বাণিজ্যিক) সরিফা খান, সহকারী রাষ্ট্রদূত (বাকিংহাম) ফয়সাল আহম্মেদ, সৌদি আরবের রিয়াদের রাষ্ট্রদূত মো. শহিদুল ইসলাম, জেদ্দার কনস্যুলার জেনারেল একেএম শহিদুল করিম, লেবার উইংয়ের কনস্যুলার একেএম মোকাম্মেল হোসেন, সৌদি আরবের রিয়াদের কনস্যুলার (লেবার উইং) সরোয়ার হোসেন, চীনের রাষ্ট্রদূত এম ফজলুল করিম, এম দেলোয়ার হুসাইন, কনস্যুলার তারেক আহম্মেদ, ইতালির কনস্যুলার জেনারেল রোজিনা আহমেদ, ইতালির ভাইস কনস্যুলার নাফিসা মনসুর, ইতালির রাষ্ট্রদূত মো. শাহাদাত হোসেন, ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত মো. শহিদুল ইসলাম, ফ্রান্সের কনস্যুলার ও হেড অব চ্যান্সেরি হযরত আলী খান, সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত মো. শামিম আহসান, সুইজারল্যান্ডের মিনিস্টার অ্যান্ড এইচওসি মো. নজরুল ইসলাম ও কনস্যুলার মো. আলিমুজ্জামান।

আরও