টানা ১২ দিন বন্ধ থাকার পর দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আবারও পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে ভারত থেকে পেঁয়াজবাহী ট্রাক বাংলাদেশে আসার মধ্য দিয়ে আমদানি কার্যক্রম শুরু হয়। এ পর্যন্ত তিন ট্রাকে ৭৮ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে আগের আমদানিকৃত পেঁয়াজ বিক্রি না হওয়ায় লোকসানের আশঙ্কায় পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রেখেছিলেন ব্যবসায়ীরা।
হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশীদ বলেন, ২৯ মার্চের পর আমদানি বন্ধ হয়ে যাবে এমন খবরে বন্দরের আমদানিকারকরা ভারত থেকে বাড়তি পেঁয়াজ আমদানি করেন। এতে দেশের বাজারে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বাড়ায় পেঁয়াজের দাম কমে যায়। সেই সঙ্গে ক্রেতা না থাকায় পেঁয়াজ পচে নষ্ট হওয়ায় আমদানিকারকরা ক্ষতিগ্রস্ত হন। তিনি বলেন, এরই মধ্যে বন্দরের অনেক আমদানিকারকের গুদামের পেঁয়াজ শেষ হয়ে গেছে। সরকার ৫ মে পর্যন্ত আমদানির অনুমতি দিয়েছে। অনেকেই আমদানির অনুমোদন পেয়েছেন। এতদিন পেঁয়াজ মজুত থাকায় কেউ আমদানি করেননি। মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় আবারও আমদানি শুরু করেছেন আমদানিকারকরা। ফলে রমজানে পেঁয়াজের দাম বাড়বে না। এমনকি সংকটও হবে না।
হিলি বাজারে পেঁয়াজ কিনতে আসা আমিনুল ইসলাম বলেন, রমজানে সবপণ্যের দাম বাড়লেও পেঁয়াজের দামে বেশ স্বস্তি রয়েছে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পেঁয়াজ আমদানি হওয়ায় বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। এতে মসলা জাতীয় পণ্যটির দাম সাধারণ মানুষের হাতের নাগালেই ছিল।
হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, বন্দর দিয়ে সর্বশেষ গত ২৯ মার্চ একদিনে ৬৩ ট্রাকে এক হাজার ৬৯০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছিল। এরপর থেকে বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ ছিল। ১২ দিন পর আবারও আমদানি শুরু হয়েছে।