‘সোনার বাংলা নীতি আলোচনা’য় অর্থমন্ত্রী

অর্থনীতি স্থিতিশীল হতে অন্তত দুই বছর সময় লাগবে

সরকার একটি ‘ফায়ার ফাইটিং’ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তবে এর মধ্যেও শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও আইসিটি খাতের আধুনিকায়ন এবং রফতানি বাণিজ্যে বৈচিত্র্য আনার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের কাজও সমানতালে এগিয়ে চলেছে।

বিশেষ করে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নাগরিক সেবা ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে দুর্নীতি কমিয়ে আনা এ মুহূর্তে সরকারের অগ্রাধিকার। সামগ্রিকভাবে দেশের অর্থনীতিকে একটি মজবুত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে এবং স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে অন্তত দুই বছর সময় লাগবে। গতকাল বণিক বার্তা আয়োজিত ‘সোনার বাংলা নীতি আলোচনা ২০২৬’-এ এসব কথা বলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বাংলা অঞ্চলের সমৃদ্ধির উত্তরাধিকার হিসেবে ফিরে দেখা ইতিহাসের আয়নায় ভবিষ্যতে চলার পথরেখা খোঁজার চেষ্টায় এ বছর থেকে বণিক বার্তা শুরু করেছে ‘সোনার বাংলা নীতি আলোচনা’ বা পলিসি কনক্লেভ। এর প্রথম আয়োজনটি গতকাল ঢাকার শেরাটন হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়। এবারের নীতি আলোচনার শিরোনাম ছিল ‘বৈশ্বিক অস্থিরতায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের পথরেখা’। এতে মূল আলোচক ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন পুতুল, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান এমপিসহ দেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, রাজনীতিবিদ, গবেষক, লেখক, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, শিক্ষাবিদ, ব্যবসায়ী, শীর্ষ নির্বাহীসহ বিশিষ্টজনরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘আমি যদি বলি কাল সকালেই অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে, তবে তা সত্য হবে না। প্রথম বছরটি আমাদের জন্য অত্যন্ত কঠিন হবে এবং এ সময়টি মূলত “‍ফায়ার ফাইটিং”-এর বছর। এরই মধ্যে আমরা স্পট মার্কেট থেকে তেল ও গ্যাস আমদানির জন্য প্রায় ৪-৫ বিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত খরচ করেছি, যার ফলে আমাদের ফিসকল স্পেস বা খরচ করার সক্ষমতা কমে গেছে। তবে আমরা সামাজিক সুরক্ষা খাত যেমন—ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষকদের সার-বীজের ভর্তুকিতে অগ্রাধিকার দিচ্ছি যাতে গ্রামীণ অর্থনীতি সচল থাকে।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে আমাদের কর্মীরা বিদেশে নিম্নমানের কাজ করায় রেমিট্যান্স কম আসছে। দক্ষ কর্মী পাঠাতে পারলে অর্ধেক জনবল দিয়েই বর্তমানের তুলনায় দ্বিগুণ রেমিট্যান্স অর্জন সম্ভব। সরকারের লক্ষ্য পাঁচ বছরের মধ্যে রেমিট্যান্স আয় ৪০-৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা। এ উদ্দেশ্যে এখন থেকে প্রতিটি কারিগরি শিক্ষা ও ভোকেশনাল প্রজেক্টে আন্তর্জাতিক মানের “‍অ্যাক্রেডিটেশন ও সার্টিফিকেশন” বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।’

বর্তমান সরকার প্রাথমিক অবকাঠামো উন্নয়ন ও রফতানি খাতকে বৈচিত্র্যময় করার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের একটু সময় দিতে হবে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, গ্যাস সরবরাহ ও দ্রুতগতির ইন্টারনেট—তিনটি হলো প্রাথমিক বা প্রাইমারি ইনফ্রাস্ট্রাকচার। বিগত দিনে এ তিন জায়গায় অগ্রাধিকার না দিয়ে অন্য জায়গায় বিনিয়োগ করা হয়েছে, যা ছিল বড় ভুল। যদি আগে শুধু এ তিন খাতে বিনিয়োগ করা হতো, তবে আজ সরকারকে আর কিছু করতে হতো না; ব্যবসায়ীরাই অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতেন। অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে আমাদের অন্তত দুই বছর সময় লাগবে।’

ভিয়েতনামের উদাহরণ টেনে রফতানি খাতের সম্ভাবনা নিয়ে তিনি বলেন, ‘ভিয়েতনাম ইলেকট্রনিকস খাতে ১ বিলিয়ন ডলার দিয়ে শুরু করে আজ ১৬০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। বাংলাদেশের ইলেকট্রনিকস ও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতেও একই সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, গার্মেন্ট সেক্টর বর্তমানে যেসব সুবিধা ভোগ করছে, যেকোনো রফতানিমুখী শিল্পকেও ঠিক একই সুবিধা দেয়া হবে। রফতানিকারকরা শুল্কমুক্ত কাঁচামাল আনবেন এবং পণ্য রফতানি করবেন; আমরা তাদের এ শুল্ক-সংক্রান্ত জটিলতা থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত করতে চাই।’

বণিক বার্তা সম্পাদক ও প্রকাশক দেওয়ান হানিফ মাহমুদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে সূচনা বক্তব্য রাখেন ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. এহতেশামুল হক খান। তিনি বলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশের করভিত্তি সবচেয়ে কম, যা মাত্র ১০-১৫ শতাংশ। এছাড়া বাজেট বাস্তবায়নের হার ক্রমান্বয়ে কমে যাওয়া এবং কর-জিডিপি অনুপাতের ভারসাম্যহীনতা অর্থনীতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

তার আরো বলেন, ‘রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা এবং প্রকৃত সংগ্রহের মধ্যে যে ব্যবধান রয়েছে, তা দূর করতে কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।’ একই সঙ্গে শিল্প ও ব্যবসাবান্ধব নীতিসহায়তার মাধ্যমে দেশের সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক পথরেখা নির্ধারণেরও আহ্বান জানান তিনি।

বাংলাদেশে সরকারের নীতিনির্ধারণ ও গৃহীত নীতি বাস্তবায়নের মধ্যে বিস্তর ফারাক থেকে যায় মন্তব্য করে অনুষ্ঠানে বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ‘‌আমার অভিজ্ঞতা অনুযায়ী নীতিনির্ধারকদের পরিকল্পনা বা চিন্তা যত ভালোই হোক না কেন, বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সেটি অনেক সময় ঠিকভাবে হয় না। অনেক সময় মোট পরিকল্পনার ২০-২৫ শতাংশ ব্যয় বা লক্ষ্যও পূরণ করা যায় না। একইভাবে রাজস্ব আহরণ ও প্রশাসনিক সংস্কারও একপর্যায়ে এসে আটকে যায়। ফলে বড় বড় পরিকল্পনা থাকলেও বাস্তবে তার পূর্ণ ফল পাওয়া যায় না।’

নীতি আলোচনায় প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে ট্যাক্স না বাড়ানোর অনুরোধ করেন প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আহসান খান চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘‌কর বাড়ানো হলে অনেক পণ্যের দাম ভোক্তার নাগালের বাইরে চলে যাবে। ট্যাক্স অপরিবর্তিত রাখলে অর্থনীতি বড় হবে এবং রফতানি খাতও উপকৃত হবে।’

ট্যাক্স নীতির কথা বলেন বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) মহাপরিচালক অধ্যাপক এ কে এনামুল হক। তিনি বলেন, ‘শুধু চলতি বছরের বাজেট সমন্বয় নয়, বরং আগামী পাঁচ বছরে ট্যাক্স কোথায় যাবে, কীভাবে পরিবর্তিত হবে—এ ধরনের একটি দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি থাকা প্রয়োজন। এতে বিনিয়োগকারীরা একটি স্থিতিশীল ও পূর্বানুমানযোগ্য ধারণা পাবেন এবং তারা বিনিয়োগে আগ্রহী হবেন।’

দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বিশ্বমানের দক্ষ করে গড়ে তুলতে শিক্ষা খাতে সরকারি বরাদ্দ বা বাজেট বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়ে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল হান্নান চৌধুরী বলেন, ‘বর্তমানে আমরা বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে পিছিয়ে পড়ছি। তাই এ খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া প্রয়োজন।’

অর্থমন্ত্রীর কাছে ঢাকায় নিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত ভারতীয় হাইকমিশনার পাওয়ান কুমার বঢ়ে কিছু বিষয়ে জানতে চেয়ে বলেন, ‘আপনার দৃষ্টিকোণ থেকে দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতা, বিশেষ করে বাণিজ্য, জ্বালানি সংযোগ ও সরবরাহ শৃঙ্খল (সাপ্লাই চেইন) কীভাবে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে আরো বড় ভূমিকা রাখতে পারে? বিশেষ করে বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট এবং আমরা এখন যে সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি, তার নিরিখে এটি কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ?’

দেশে ব্যবসার পরিবেশ সহজ করা খুবই জরুরি উল্লেখ করে”মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল বলেন, ‘নতুন সরকার হওয়ার পর থেকে অনেক ক্ষেত্রে সহজীকরণ না হয়ে বিষয়টি আরো কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে যাচ্ছে। প্রক্রিয়াগুলো যদি সহজ না হয়, তবে আমাদের জাতীয় উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে।’

এইচএসবিসি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. মাহবুব উর রহমান বলেন, ‘রফতানি খাতের “‍মাল্টিপ্লেয়ার ইমপ্যাক্ট”-এর ওপর গুরুত্বারোপের যে ইমপ্যাক্ট আছে, সেটার ওপর আমাদের গুরুত্বারোপ করতে হবে, যা একই সঙ্গে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সহায়ক হবে।’

লজিস্টিকস খাতে ব্যয় কমাতে পারলে সরকারের জন্য রাজস্ব ব্যবস্থাপনা সহজ হবে বলে মন্তব্য করেছেন এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোয়াব) সভাপতি ও ডেল্টা এলপিজি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আমিরুল হক। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে দেশের লজিস্টিকস খাতে জিডিপির ১৬ শতাংশ ব্যয় হয়উ অন্যদিকে ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত মাত্র ৬ দশমিক ৮ শতাংশ।’ এ হারকে ‘অসম্ভব নিচে’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত ১২ শতাংশে উন্নীত করা প্রয়োজন।’

নীতি আলোচনায় অংশ নিয়ে বাংলাদেশে সফট ড্রিংকসের বাজার নিয়ে আলোচনা করেন কোকা-কোলা বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাদাব আহমেদ খান। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে সফট ড্রিংকসের বাজার তুলনামূলক ছোট। কিন্তু এ খাতে আমরা বিশ্বের সর্বোচ্চ কর দিচ্ছি। এ খাত নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োজন এবং কীভাবে দীর্ঘমেয়াদি কর পরিকল্পনার মাধ্যমে এগোনো যায়, সেটি নির্ধারণ করা দরকার।’

বাজেটে কৃষিতে বিশেষ বরাদ্দের দাবি করে কৃষি অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘সরকার বাজেটে কৃষিকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়ার কথা বলছে। কিন্তু হাওরে বন্যায় ক্ষয়ক্ষতি এবং সম্ভাব্য খাদ্য সংকটের যে বাস্তব চিত্র আমাদের সামনে আছে, আগামী বাজেটে তার প্রতিফলন ঠিক কেমন হবে—তা আমরা সুনির্দিষ্টভাবে জানতে চাই।’

বস্ত্রকল মালিকদের সংগঠন বিটিএমএর সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল বলেন, ‘দেশের জিডিপিতে টেক্সটাইল খাতের অবদান ৩০ শতাংশ এবং মোট রফতানি আয়ের ৮৫ শতাংশই আসে এখান থেকে। বর্তমানে আমরা কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গেলেও আমাদের উৎপাদন ও সরবরাহ সচল রেখেছি। বর্তমান সংকট কাটাতে এবং খাতটিকে আরো শক্তিশালী করতে নীতিনির্ধারকদের সরাসরি অংশগ্রহণ প্রয়োজন।’

স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় হওয়া বৈদেশিক মুদ্রা দেশে রাখতে স্বাস্থ্য বীমার ওপর গুরুত্বারোপ করে ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান প্রীতি চক্রবর্তী বলেন, ‘একটি বিষয় গুরুত্ব দিয়ে ভাবা উচিত যে প্রতি বছর স্বাস্থ্যসেবার পেছনে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আমাদের দেশ থেকে বিদেশে চলে যায়। এ অর্থ দেশে রাখতে হলে হেলথ ইন্স্যুরেন্সের বিকল্প নেই। এ বিষয়ে সরকারের ভাবা জরুরি।’

বিনিয়োগের জন্য অবকাঠামোগত সুবিধা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) চেয়ারম্যান শরীফ জহীর বলেন, ‘কর্মসংস্থান বাড়াতে চাইলে শিল্প-কারখানা চালুর বিকল্প নেই। এজন্য আমাদের স্থানীয় উদ্যোক্তারা প্রস্তুতও আছেন। কারণ তারা দেশকে বোঝেন। কিন্তু সমস্যা হলো বিনিয়োগ করার পর যদি অবকাঠামোগত সুবিধা পাওয়া না যায়, তাহলে পরবর্তী সময়ে কেউ বিনিয়োগ করতে আসবে না।’

বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ বলেন, ‘আমরা ইনকাম ট্যাক্স বা আয়কর নিয়ে অনেক কথা বললেও শিল্পের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং বর্তমানে সবচেয়ে বড় অনিশ্চয়তার জায়গা হলো জ্বালানি। জ্বালানি খাতের এ অনিশ্চয়তা আমাদের উৎপাদন ও শিল্পায়নকে বাধাগ্রস্ত করছে।’

তরুণদের কৃষিতে ফিরিয়ে নেয়ার ব্যবস্থা করার আহ্বান জানিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন বলেন, ‘যখনই আমরা কমংসংস্থানের কথা বলি, তখন কৃষির আলোচনাও আসা উচিত। আমাদের তরুণদের আবার কৃষিতে ফিরিয়ে নেয়া যায় কিনা সে বিষয়েও পরিকল্পনা করা উচিত।’

গণসংহতি আন্দোলন (জিএসএ) রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য তাসলিমা আখতার বলেন, ‘যখন কোনো বৈশ্বিক অস্থিরতা কিংবা সংকট দেখা দেয়, তখন নিম্ন আয়ের শ্রমজীবীরা আমাদের অগ্রাধিকারের তালিকায় অনেক পিছিয়ে থাকেন। আগামী বাজেটে এসব নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সামাজিক সুরক্ষাসহ অগ্রাধিকার সুবিধা নিশ্চিত করা দরকার।’

অনুষ্ঠানের মূল আলোচক ও অতিথিদের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে থাকরাল ইনফরমেশন সিস্টেমসের নির্বাহী পরিচালক বাসব পি বাগচী বলেন, ‘অনেক বড় বড় বৈশ্বিক বিনিয়োগকারী ও প্রযুক্তি কোম্পানি বাংলাদেশের দিকে নজর দিচ্ছে।’ দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীকে বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় বলেও এ সময় মন্তব্য করেন তিনি।

ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে এনসিসি ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. শামসুল আরেফিন বলেন, ‘অর্থমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানাই। তিনি অত্যন্ত সাবলীল কণ্ঠে অর্থনীতির পরিকল্পনাগুলো, বর্তমান সরকারের পরিকল্পনাগুলো তুলে ধরেছেন। অনেক দিনের একটা অপশাসনের কারণে বিভিন্ন খাতে যে সমস্যাগুলো রয়েছে, আপনার কথায় আমরা আশাবাদী এবং আমরা বিশ্বাস করি এগুলো সমাধান হবে। বিগত বিএনপি সরকারের আমলের মতো এবারো বিভিন্ন খাতে একটা গতি সৃষ্টি হবে এবং এটা অচিরেই হবে। আমি বিশ্বাস করি, এ পরিকল্পনাগুলো কার্যকর করার জন্য আপনি পদক্ষেপ নেবেন।’

অনুষ্ঠানে দেশের অর্থনীতিবিদ, গবেষক, লেখক, শিক্ষাবিদ, ব্যবসায়ী, শীর্ষ নির্বাহীসহ বিভিন্ন খাতের বিশিষ্টজনদের সম্মিলন ঘটে। এতে অংশ নেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সচিব সিরাজুন নূর চৌধুরী, বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের কার্যক্রম বিভাগের সদস্য (সচিব) এসএম শাকিল আখতার, ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের (এফআরসি) চেয়ারম্যান ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূইয়া, এফআরসির নির্বাহী পরিচালক মো. তারেক কামাল, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ, এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মজিদ, সাবেক সচিব সিকদার আনোয়ার, ড. আবুল হোসেন, ইকোনমিক রিসার্চ গ্রুপের (ইআরজি) নির্বাহী পরিচালক ড. সাজ্জাদ জহির, ব্যুরো বাংলাদেশের সাবেক চেয়ারম্যান ড. ইউসুফ খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান ড. শহীদুল জাহিদ, স্বাস্থ্য অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ আবদুল হামিদ, বিএসইসির কমিশনার মো. আলী আকবর, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. সাঈদ কুতুব, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) যুগ্ম সচিব মোস্তফা মোরশেদ ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম।

অর্থনীতিবিদ ড. মাহবুব উল্লাহ্, ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু আহমেদ ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিরঞ্জন চন্দ্র দেবনাথ, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল হাসিব চৌধুরী, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল কাশেম মিয়া, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের (এআইইউবি) উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল, নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহা. হাছানাত আলী, বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজির (বিইউএফটি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইঞ্জিনিয়ার আইয়ুব নবী খান, সিটি ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) অধ্যাপক ড. মো. লুৎফর রহমান, ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ড. ফরিদ আহমদ সোবহানী, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির সহকারী অধ্যাপক ড. শিব্বির আহমদ, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. তোফাজ্জল ইসলাম, ড. রুহুল আমিন, বিল্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আরা বেগম, সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুল হাকিম, এশিয়ান ইউনিভার্সিটির বাংলা বিভাগের শিক্ষক মো. আলাউদ্দিন, ব্যাংকার ও লেখক আনোয়ার ফারুক তালুকদার, বাংলাদেশ স্টাডি ফোরামের মুখপাত্র মাহমুদুল হাসান কমল অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে দেশের সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন ব্যাংকের চেয়ারম্যান, পরিচালক ও শীর্ষ নির্বাহীরা অংশ নেন। এর মধ্যে সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসির চেয়ারম্যান এমএ কাশেম, এনসিসি ব্যাংক পিএলসির চেয়ারম্যান মো. নুরুন নেওয়াজ সেলিম, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) চেয়ারম্যান শরীফ জহীর, প্রিমিয়ার ব্যাংকের চেয়ারম্যান ডা. আরিফুর রহমান ও স্বতন্ত্র পরিচালক এম নুরুল আলম, এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন প্রধানিয়া, অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ, বেসিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান হেলাল আহমেদ চৌধুরী, সোনালী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক অর্থ সচিব মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী, ব্র্যাক ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক মঈনউদ্দীন, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নূরুল আমিন, এনসিসি ব্যাংকের পরিচালক আমজাদুল ফেরদৌস চৌধুরী, নাহিদ বানু, মোহাম্মদ সাজ্জাদ উন নেওয়াজ, স্বতন্ত্র পরিচালক মীর সাজেদ উল বাসার ও মো. আমিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

বিভিন্ন ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, এনসিসি ব্যাংকের এমডি এম. শামসুল আরেফিন, ইস্টার্ন ব্যাংকের সদ্য বিদায়ী এমডি আলী রেজা ইফতেখার, এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের এমডি মো. তৌহিদুল আলম খান, প্রিমিয়ার ব্যাংকের এমডি মো. মনজুর মফিজ, ব্যাংক এশিয়ার সাবেক এমডি মো. আরফান আলী, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির এমডি (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলতাফ হুসাইন, এএমডি কামাল উদ্দীন জসীম, মিডল্যান্ড ব্যাংকের এমডি ইমতিয়াজ ইউ আহমেদ, মেঘনা ব্যাংকের এমডি সৈয়দ মিজানুর রহমান, প্রাইম ব্যাংকের এএমডি নাজিম এ. চৌধুরী, এসবিএসি ব্যাংকের এএমডি মো. রবিউল ইসলাম, ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের ডিএমডি মো. আবিদুর রহমান শিকদার, শাহাদাত হোসেন, শাহ আলম পাটোয়ারী, মোহাম্মদ শহীদ উল্লাহ, উত্তম কুমার শাহা ও মো. সিরাজুল ইসলাম, এনসিসি ব্যাংকের ডিএমডি মো. জাকির আনাম, মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ও মো. হাবিবুর রহমান।

রাজনীতিবিদদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্য শিরীন সুলতানা, বিলকিস ইসলাম, নেওয়াজ হালিমা আরলী, মমতাজ আলো, হেলেন জেরিন খান, রেহেনা আক্তার, শাম্মী আক্তার, বীথিকা বিনতে হোসাইন, ফাহিমা নাসরিন, সুলতানা জেসমিন জুঁই, জহরত আদিবা চৌধুরী, মানসুরা আক্তার এবং এনসিপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য নুসরাত তাবাসসুম। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক) ড. মো. সাইমুম পারভেজ, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (যুব কর্মসংস্থানবিষয়ক) সাইয়েদ বিন আব্দুল্লাহ, প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীন।

অনুষ্ঠানে অংশ নেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আমিনুল করিম ভূঁইয়া, এফএসডিএসের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর, মেজর জেনারেল (অব.) জামিলউদ দীন আহসান বীর প্রতীক, জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক ফয়জুল হাকিম লালা, এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সাবেক মুখপাত্র উমামা ফাতেমা, ‘জাসদ ঐক্য বাস্তবায়ন মঞ্চ’ সদস্য সচিব ব্যারিস্টার ফারাহ খান, রাষ্ট্র সংস্কার ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক লামিয়া ইসলাম।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন এসটিএস গ্রুপের পরিচালক মোহাম্মদ এ মঈন, জাপান বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (জেবিসিসিআই) সভাপতি তারেক রফি ভূঁইয়া, সহসভাপতি আনোয়ার শহীদ, হিরোয়াকি ওউরা, ট্রেজারার কেনজি কিমুরা, পরিচালক মানাবু সুগাওয়ারা, হিরোশি উয়েগাকি, আতশুসী হিরাকুরি, যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের লেবার অ্যাটাশে লীনা, জিপিএইচ ইস্পাতের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বাংলাদেশ স্টিল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসএমএ) সভাপতি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, টি.কে. গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের গ্রুপ ডিরেক্টর মোহাম্মদ মোস্তফা হায়দার, ক্রাউন সিমেন্ট পিএলসির ভাইস চেয়ারম্যান মো. আলমগীর কবির, ম্যাফ শুজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাসনাত মোহাম্মদ আবু ওবায়দা, বিএসআরএম গ্রুপের হেড অব করপোরেট অ্যাফেয়ার্স প্রকৌশলী সৌমিত্র কুমার মুৎসুদ্দি, যশোর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মিজানুর রহমান খান, পরিচালক ও এমইউসি ফুডসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শ্যামল দাস ও যশোরের সিভিল সার্জন ডাক্তার মাসুদ রানা।

আরো উপস্থিত ছিলেন ডিএসইর পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন, ডিএসইর স্বতন্ত্র পরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ডিবিএ) প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম, প্রাইম ব্যাংক সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো মনিরুজ্জামান, ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএবি) প্রেসিডেন্ট (ভারপ্রাপ্ত) মো. রোকনুজ্জামান, আইসিএবির ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মনিরুজ্জামান, এ কাশেম অ্যান্ড কোম্পানি চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টসের ম্যানেজিং পার্টনার আখতার সানজিদা কাশেম, এ কাশেম অ্যান্ড কোম্পানি চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টসের পার্টনার এটিএম শামীম রেজা, এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন পিএলসির এমডি ও সিইও হুমায়ুন রশীদ, সায়হাম নিট কম্পোজিট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ শাফকাত আহমেদ, মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি ও কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স পিএলসির ভাইস চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন আহমেদ পাভেল, ডিবিএইচ ফাইন্যান্স পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নাসিমুল বাতেন, বাংলাদেশ ফাইন্যান্স পিএলসির এমডি ও সিইও মো. কায়সার হামিদ, আইপিডিসি ফাইন্যান্স পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিজওয়ান দাউদ সামস, অ্যালায়েন্স ফাইন্যান্স পিএলসির সিইও কান্তি কুমার সাহা, এক্সিলারেট এনার্জি বাংলাদেশ লিমিটেডের কান্ট্রি ম্যানেজার হাবিবুর রহমান ভুইয়া, মেটলাইফ বাংলাদেশের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (সিইও) আলা আহমদ, কমার্স ব্যাংক সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড সিইও মো. আরিফুল ইসলাম, সার্ক চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক আমজাদ হোসেন, এনএসআইয়ের অতিরিক্ত পরিচালক (মিডিয়া উইং) মো. মিজানুর রহমান, সামিট মেঘনাঘাট পাওয়ার (১ ও ২) লিমিটেডের এমডি ও সিইও মো. রিয়াজ উদ্দিন, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) পরিচালক ও লংকাবাংলা সিকিউরিটিজ পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন চৌধুরী, লংকাবাংলা সিকিউরিটিজ পিএলসির পরিচালক ও সিইও খন্দকার সাফফাত রেজা।

আরও