মানিকগঞ্জে আইসোলেশন ওয়ার্ডে একজনের মৃত্যু, চিকিৎসকসহ আক্রান্ত আরো ৮

মানিকগঞ্জে জেলা হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে করোনা উপসর্গ নিয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। রঞ্জু মিয়া নামে ৩৩ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি গতকাল শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাতে মারা যান। হাসপাতালটির তত্ত্বাবধায়ক ডা. আরশ্বাদ উল্লাহ আজ (শনিবার) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দৌলতপুর উপজেলার রঞ্জু মিয়া ফুসফুসের সমস্যা নিয়ে বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল ১১টার দিকে হাসপাতালে ভর্তি হন। তিনি করোনায় আক্রান্ত কিনা তা নিশ্চিত হতে ওই দিনই তার শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষার জন্য সাভার প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে। তবে, তার রিপোর্ট এখনও পাওয়া যায়নি।

মানিকগঞ্জে জেলা হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে করোনা উপসর্গ নিয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। রঞ্জু মিয়া নামে ৩৩ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি গতকাল শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাতে মারা যান। হাসপাতালটির তত্ত্বাবধায়ক ডা. আরশ্বাদ উল্লাহ আজ (শনিবার) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, দৌলতপুর উপজেলার রঞ্জু মিয়া ফুসফুসের সমস্যা নিয়ে বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল ১১টার দিকে হাসপাতালে ভর্তি হন। তিনি করোনায় আক্রান্ত কিনা তা নিশ্চিত হতে ওই দিনই তার শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষার জন্য সাভার প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে। তবে, তার রিপোর্ট এখনও পাওয়া যায়নি।

এনিয়ে আইসোলেশন ওয়ার্ডে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো আটজনে। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন পুরুষ, দুজন নারী ও একজন কিশোর বলে জানান তিনি। এছাড়া, করোনায় আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত জেলায় মারা গেছেন দুজন।

এদিকে মানিকগঞ্জে গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে এক স্বাস্থ্যকর্মকর্তাসহ আরো ৮ জন করোনাভাইরাসে সংক্রমিত শনাক্ত হয়েছেন। এই নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্ত শনাক্তের সংখ্যা হলো ১৪০ জন। আজ (শনিবার) সকালে মানিকগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. আনোয়ারুল আমিন আখন্দ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ডা. আনোয়ারুল আমিন আখন্দ বলেন, নতুন আক্রান্ত আটজনের মধ্যে রয়েছেন হরিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবদুল মালেক, তার গাড়ীর চালক, একজন মেডিক্যাল অ্যাসিসট্যান্টসহ ৬ জন এবং ঘিওর উপজেলার দুই জন।

তিনি বলেন,  ‘এ পর্যন্ত মোট ২২৭৬ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকার বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ১৯৬২টির রিপোর্ট পাওয়া গেছে। যাতে পজিটিভ পাওয়া গেছে ১৪০ জনের দেহে। আক্রান্তদের মধ্যে ২১জন জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে এবং ৮৮জন নিজ নিজ বাড়িতে আসোলেশনে আছেন। অন্যরা সুস্থ হয়েছেন।’

আরও