শিবচরের পদ্মাপাড়ে ইলিশের হাট ভেঙে দিল প্রশাসন

অভিযানে জব্দ করা হয় ৮০ হাজার মিটার জাল এবং ৬০ কেজি ইলিশ।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ফেরদৌস ইবনে রহিম জানান, শুক্রবার বিকালে উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য অফিস, পু্লিশ এবং সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে অস্থায়ী ইলিশের হাটে অভিযান চালানো হয়েছে। হাটটি গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এছাড়া নদীতে নিয়মিত অভিযান চলমান আছে।

মাদারীপুরের শিবচরে পদ্মাপাড়ের ইলিশের হাটে অভিযান চালিয়েছে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও প্রশাসনের টিম। গতকাল শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) বিকালে উপজেলার বন্দরখোলা ইউনিয়নের কাজিরসূরা এলাকায় নিষিদ্ধ মৌসুমে গড়ে ওঠা ইলিশের হাটে এ অভিযান চালানো হয়। এসময় হাটের অস্থায়ী স্থাপনা উচ্ছেদ করে গুঁড়িয়ে দেয়া হয়। সে সঙ্গে জব্দ করা হয় ৮০ হাজার মিটার জাল এবং ৬০ কেজি ইলিশ।

শিবচর উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এক শ্রেণির অসাধু জেলেরা পদ্মায় ইলিশ শিকার করে। এবং পদ্মার পাড়েই এ মাছ বিক্রি করা হয়। মাছ বিক্রির জন্য পদ্মার পাড়ে গড়ে উঠেছে অস্থায়ী হাটও। নদীতে অভিযানের পাশাপাশি শুক্রবার বিকালে সেনাবাহিনী, পুলিশ, মৎস অফিস ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সহ যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় বন্দরখোলা ইউনিয়নের কাজীর সূরা এলাকাসহ সকল অস্থায়ী স্থাপনা ভেঙে দেয়া হয়। সেনাবাহিনী ও পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাছ বিক্রেতা ও ক্রেতারা দ্রুত সরে পড়েন।

মৎস্য অফিস সূত্র আরো জানিয়েছে, গত ১৩ অক্টোবর থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত ১১ দিনে পদ্মানদীতে ৩৭ টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসময় ৬ লাখ ৭০ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে। আটক করা হয় ৪০ জেলেকে। এদের মধ্যে ১৪ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়। এছাড়া ২০ জনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। অপ্রাপ্তবয়স্ক ৬ জনকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়। জব্দ করা হয় ১৩টি ট্রলার। সে সঙ্গে উদ্ধার করা হয় ৩ শত ১০ কেজি ইলিশ।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ফেরদৌস ইবনে রহিম জানান, শুক্রবার বিকালে উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য অফিস, পু্লিশ এবং সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে অস্থায়ী ইলিশের হাটে অভিযান চালানো হয়েছে। হাটটি গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এছাড়া নদীতে নিয়মিত অভিযান চলমান আছে।

আরও