অভিযানের ৬ ঘণ্টা পর গ্রেফতার আইভী

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আইভীকে গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে তার বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। শুক্রবার ভোরে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার প্রক্রিয়ায় তিনি সহযোগিতা করেছেন। তাকে জেলা গোয়েন্দা কার্যালয়ে নেয়া হয়েছে। দুপুরে তাকে আদালতে তোলা হবে।

বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থকদের প্রতিরোধের মুখে অভিযান শুরুর সাড়ে ৬ ঘণ্টা পর নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার (৯ মে) সকাল পৌনে ৬টার দিকে তাকে শহরের দেওভোগ এলাকার নিজ বাসভবন ‘চুনকা কুটির’ থেকে গ্রেফতার করা হয়।

জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ সিটির সাবেক এই মেয়রকে গ্রেফতারে গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে তার দেওভোগের বাড়িতে প্রবেশ করে পুলিশের একটি দল। এ সময় তাকে গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়লে মূহুর্তেই ওই বাড়ির চারপাশে অবস্থান নেয় এলাকাবাসী ও দীর্ঘদিনের কর্মী-সমর্থকরা। ওই বাড়িতে যাতায়াতের চারটি রাস্তাই বাঁশ, ঠেলাগাড়ি ও ভ্যানগাড়ি ফেলে অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। এক পর্যায়ে মসজিদের মাইকের মাধ্যমে সবাইকে আইভীর বাড়ির সামনে ডাকা হয়।

এ অবস্থায় ওই বাড়িতে ঢোকা পুলিশের দলটি সেখানেই অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। রাত ১২টার দিকে মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ। কিন্তু তাদের কেউই কর্মী-সমর্থকদের বাধার মুখে তারা আইভীর বাড়ির কাছে পৌঁছাতে পারেননি। এভাবেই কাটে পুরো রাত। ভোরের দিকে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আইভীর বাড়িতে প্রবেশ করেন। এরপর ভোর পৌনে ৬টার দিকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ জানায়, আইভীর বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ ও ফতুল্লা থানায়  হত্যা এবং হত্যার চেষ্টাসহ পাঁচটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার একটি হত্যা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আইভীকে গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে তার বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। শুক্রবার ভোরে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার প্রক্রিয়ায় তিনি সহযোগিতা করেছেন। তাকে জেলা গোয়েন্দা কার্যালয়ে নেয়া হয়েছে। দুপুরে তাকে আদালতে তোলা হবে।

আরও