ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল

দেশে অসাম্প্রদায়িকতার রাজনীতি ফেরাবে বিএনপি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে বিএনপি সব ধরনের সাম্প্রদায়িকতা ও হিন্দু-খ্রিস্টান-মুসলমানের ভেদাভেদ বন্ধ করে একটি শান্তির বাংলাদেশ গড়ে তুলে অসাম্প্রদায়িকতার রাজনীতি ফিরিয়ে আনবে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে বিএনপি সব ধরনের সাম্প্রদায়িকতা ও হিন্দু-খ্রিস্টান-মুসলমানের ভেদাভেদ বন্ধ করে একটি শান্তির বাংলাদেশ গড়ে তুলে অসাম্প্রদায়িকতার রাজনীতি ফিরিয়ে আনবে। এখানে সবাই যে যার ধর্ম পালন করবে। কেননা ধর্ম যার যার, রাষ্ট্রটা সবার।’

গতকাল দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা নিমবাড়ী এলাকায় এক পথসভায় দেয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বর্তমান জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমরা এমন একটা দেশ গড়তে চাই যেখানে ধর্ম নিয়ে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না। সব ধরনের বিভেদ ভুলে আমরা যদি একসঙ্গে এগিয়ে যাই, তাহলে আমাদের কেউ আটকাতে পারবে না। মনে রাখবেন, যারা দেশের ক্ষতি করতে চায়, তারাই ভেদাভেদ সৃষ্টি করতে চায়। হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান-মুসলমান আলাদা ভাগ হয়ে গেলে, আমরা কখনই এগিয়ে যেতে পারব না। বিএনপি অতীতেও অসাম্প্রদায়িকতার নজির দেখিয়েছে। তাই এগুলো শুধু কথার কথা না, বিএনপি শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা করতে সব ধর্মের মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ব সৃষ্টি করবে।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে, তাদের হাতে দেশ নিরাপদ না। আমরা এ ধরনের স্বাধীনতাবিরোধী কার্যকলাপ একেবারে বন্ধ করে দেব। এখানে সবাই সবার নিজ নিজ ধর্ম পালন করবে।’

দায়িত্বশীল পদে থাকার সময় সবসময় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে প্রাধান্য দিয়েছেন জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমি জোর গলায় বলতে চাই যে আপনাদের আমানত, ভোটের যে দায়িত্ব আমি নেব তা কখনো খেয়ানত করব না। আমি যখন মন্ত্রী ছিলাম, তখন কারো কাছ থেকে এক কাপ চা-ও গ্রহণ করিনি। কেননা রাজনীতিতে সততা ও নৈতিকতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

বক্তব্যের একপর্যায়ে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডের নমুনা দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘এটা হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড, এ রকম একটা কার্ড মায়েদের দেয়া হবে। এটা দিয়ে বাড়ির প্রধান নারী ন্যায্যমূল্যে চাল, ডাল, তেল, লবণ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে পারবেন। হাসপাতালে গিয়ে বাচ্চা বা নিজের চিকিৎসায় সুবিধা পাবেন এবং স্কুলে বাচ্চার লেখাপড়ার জন্য সবচেয়ে বেশি সুবিধা পাবেন।’

আরও