ঢাকায় ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর যাত্রাবিরতি

সার্ক পুনর্গঠনে সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ

১৯৭১ সালে বাংলাদেশকে প্রথম দেশ হিসেবে ভুটান স্বীকৃতি দেয়ার পর থেকে গড়ে ওঠা দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের সম্পর্কের ভূয়সী প্রশংসাও করেন মন্ত্রীরা।

জার্মানি যাওয়ার পথে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রাবিরতি করেন। তাকে বহনকারী ফ্লাইটটি গতকাল বেলা ১টা ৫৫ মিনিটে ঢাকায় অবতরণ করে। এ সময় বিমানবন্দরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আবদুল মঈন খান। আরো উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ভুটান থেকে জার্মানি যাওয়ার পথে শেরিং তোবগে ঢাকায় যাত্রাবিরতি করেন। প্রায় পৌনে ১ ঘণ্টা যাত্রাবিরতিতে সংক্ষিপ্ত আলাপের সময় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আবদুল মঈন খান ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানান। সেই সঙ্গে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থাকে (সার্ক) আবার সক্রিয় করতে ভুটানের সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ। পাশাপাশি ভুটানের ‘গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি’ (জিএমসি) উন্নয়নে বিশেষ করে পেশাজীবী এবং দক্ষ ও আধাদক্ষ জনশক্তি জোগান দিয়ে অবদান রাখার বিষয়েও আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।

আলাপকালে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশকে প্রথম দেশ হিসেবে ভুটান স্বীকৃতি দেয়ার পর থেকে গড়ে ওঠা দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের সম্পর্কের ভূয়সী প্রশংসাও করেন মন্ত্রীরা।

বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে এরপর একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে জার্মানির উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন।

এর আগে গত ২৬ আগস্ট ভোরে ঢাকায় যাত্রাবিরতি করেছিলেন ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগে ওয়াংচুক। সেদিন তাকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিমানবন্দরে অবস্থানকালে ভিভিআইপি লাউঞ্জে ভুটানের রাজার সঙ্গে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। তারা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা করেন।

আরও