মরদেহ ফেরাতে পরিবারের আকুতি

দক্ষিণ আফ্রিকায় গুলিতে বাংলাদেশী তরুণ নিহত

সোহান দেশটিতে একটি মুদি দোকানে কর্মচারী ছিলেন। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন মাগরিবের সময় তিনি দোকানের মালিকের সঙ্গে কাজ করছিলেন সোহান। লোডশেডিং হলে দোকানের মালিক মোমবাতি আনতে পেছনের দিকে গেলে দুর্বৃত্তরা অতর্কিতভাবে গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই সোহানের মৃত্যু হয়

দক্ষিণ আফ্রিকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে মোহাম্মদ সোহান নামে এক বাংলাদেশী তরুণ নিহত হয়েছেন। তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের কাছে আকুতি জানিয়েছে পরিবার।

দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গের অদূরে কেতলেহং এলাকায় গতকাল রাতে গুলির এ ঘটনা ঘটে। নিহত সোহান ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশংকৈল উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের চিকনমাটি গ্রামের দুলাল হোসেনের ছেলে।

সোহান দেশটিতে একটি মুদি দোকানে কর্মচারী ছিলেন। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন মাগরিবের সময় তিনি দোকানের মালিকের সঙ্গে কাজ করছিলেন সোহান। লোডশেডিং হলে দোকানের মালিক মোমবাতি আনতে পেছনের দিকে গেলে দুর্বৃত্তরা অতর্কিতভাবে গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই সোহানের মৃত্যু হয়।

নিহতের চাচা দেলোয়ার হোসেন ও মানিক জানান, বহু কষ্টে ধার-দেনা করে সোহানকে দক্ষিণ আফ্রিকায় পাঠানো হয়েছিল। হঠাৎ তার মৃত্যুর সংবাদে পরিবার শোকে ভেঙে পড়েছে। তারা বলেন, কী কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে তা নিশ্চিতভাবে জানা না গেলেও গুলিবিদ্ধ হয়েই তার মৃত্যু হয়েছে বলে শুনেছেন।

নিহতের মামা মহরম আলী মিঠু বলেন, আমরা সরকারের কাছে আবেদন করছি, যেন দ্রুত আমাদের সোহানের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হয়।

সোহানের মা সাহিনুর বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ছেলের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে অনেক কষ্টে বিদেশে পাঠিয়েছিলাম। আজ তার মৃত্যুর খবর শুনতে হলো। আমরা আমাদের ছেলেকে আর জীবিত ফিরে পাব না, তবে তার মরদেহ যেন দেশে এনে নিজের হাতে দাফন করতে পারি, সেই ব্যবস্থা চাই।

ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক রফিকুল হক বলেন, বিষয়টি অবগত হয়েছি। মরদেহ দেশে নিয়ে আনার জন্য আমরা চেষ্টা করছি।

আরও