বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান বলেছেন, ‘বোয়িংয়ের ব্যবসা কিন্তু সে দেশের সরকার করে না, করে বোয়িং কোম্পানি। আমরা বোয়িং থেকে ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার জন্য অর্ডার দিয়েছি। যেমন ভারত দিয়েছে ১০০টি, ভিয়েতনাম দিয়েছে ১০০টি, ইন্দোনেশিয়া দিয়েছে ৫০টি।’ তিনি জানান, তৃতীয় দফা আলোচনার জন্য প্রতিনিধিদল আগামীকাল যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছে।
রোববার (২৭ জুলাই) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে সচিবের অফিস কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বাণিজ্য সচিব এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘বোয়িং কোম্পানি ক্যাপাসিটি অনুযায়ী এগুলো সরবরাহ করবে। এবং এগুলো সরবরাহ করতে তারা অনেক সময় নেবে।’
পাল্টা শুল্ক নিয়ে এরই মধ্যে দুই দফা আলোচনায় ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্টের ওপরে নেগোসিয়েশন সম্পন্ন করা হয়েছে। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কান্ট্রি স্পেসিফিক প্রস্তাব দেয়া হয় বাণিজ্য বাড়ানোর জন্য। সুনির্দিষ্ট ওই প্রস্তাবে আগের পণ্য বাণিজ্যের পাশাপাশি সেবার বিষয়গুলোও রয়েছে। মার্কিন প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জবাব এরই মধ্যে দেশটিতে পাঠানো হয়েছে। সেই সঙ্গে তৃতীয় দফা আলোচনার জন্য সময় চেয়ে জানানো হয়েছে অনুরোধ। এ প্রেক্ষাপটেই রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন বাণিজ্য সচিব।
গত ২৪ জুলাই রাতে বণিক বার্তাকে বাণিজ্য সচিব বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএসটিআর) কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ২৯ জুলাই ওয়াশিংটন সময় সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত এ বৈঠক হবে।’
এর আগে মাহবুবুর রহমান বণিক বার্তাকে বলেছিলেন, ‘বাণিজ্যের জন্য বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত যতটা অগ্রসর হয়েছে—যেমন গম ক্রয়ের চুক্তি করছি, এলএনজির জন্য চুক্তি করছি, বিমান ক্রয়ের জন্য প্রস্তাব দিচ্ছি, এ বিষয়গুলো যুক্তরাষ্ট্রকে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর জন্য এরই মধ্যে যা করা হয়েছে, সেগুলোও জানানো হয়েছে পত্র দিয়ে। তাদের সঙ্গে পরবর্তী নেগোসিয়েশনের জন্য সময় জানাতেও অনুরোধ করা হয়েছে।’