রাঙ্গামাটিতে ইউপিডিএফ কর্মীকে গুলি করে হত্যা

এ হত্যাকাণ্ডের জন্য সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকে (জেএসএস) দায়ী করেছে ইউপিডিএফ। যদিও হত্যার অভিযোগ প্রসঙ্গে জেএসএসের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি

রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার কুতুকছড়িতে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) সহযোগী সংগঠন গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি ধর্মসিং চাকমাকে গুলিতে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। আজ সকালে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে কুতুকছড়ি আবাসিক এলাকায় নিজ বাসায় অবস্থান করছিলেন ধর্মসিং চাকমা। এসময় একটি সশস্ত্র দল বাড়িটি ঘিরে ফেলে। ধর্মসিং চাকমা পালাতে চাইলে অস্ত্রধারীরা ব্রাশফায়ার করলে ঘটনাস্থলেই মারা যান ধর্মসিং। তার দুইবোনও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে জানিয়েছে ইউপিডিএফ।

এ হত্যাকাণ্ডের জন্য সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকে (জেএসএস) দায়ী করেছে ইউপিডিএফ। যদিও হত্যার অভিযোগ প্রসঙ্গে জেএসএসের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম নেতা গুলিতে নিহতের পর রাঙ্গামাটি-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করছেন ইউপিডিএফ কর্মীরা।

রাঙ্গামাটির কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জসীম উদ্দীন বলেন, আমি শুনেছি একজন গুলিবৃদ্ধ হয়ে মারা গেছেন এবং দুজন গুলিবিদ্ধ হয়েছে। আমি ঘটনাস্থলের দিকে যাচ্ছি। গেলে বিস্তারিত জানা যাবে।

এর আগে ২০১৮ সালের ১৮ মার্চ রাঙামাটি সদর উপজেলার কুতুকছড়ি থেকে ইউপিডিএফের সহযোগী সংগঠন হিল উইমেন্স ফেডারেশনের দুই নেত্রী অপহরণের ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে পালিয়ে যান গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের নেতা ধর্মসিং চাকমা। এর ৮ বছর পর গুলিতে নিহত হলেন তিনি।

আরও