গাজামুখী মিডিয়া ফ্লোটিলায় প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে যোগ দিচ্ছেন শহিদুল আলম

আজ ইতালির উদ্দেশে দেশ ছাড়বেন শহিদুল আলম। সেখান থেকেই নৌবহর গাজা অভিমুখে যাত্রা করবে। এর আগে গতকাল (শনিবার) বিকাল ৩টায় রাজধানীর পান্থপথে দৃক ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই কর্মসূচির লক্ষ্য ও ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি সংহতির বার্তা তুলে ধরেন।

গাজায় আরোপিত তথ্য ও সংবাদমাধ্যমের অবরোধ ভাঙার প্রচেষ্টায় ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশনের (এফএফসি) মিডিয়া ফ্লোটিলায় প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে যোগ দিতে যাচ্ছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আলোকচিত্রী ও মানবাধিকার কর্মী শহিদুল আলম।

আজ (২৮ সেপ্টেম্বর) ইতালির উদ্দেশে দেশ ছাড়বেন শহিদুল আলম। সেখান থেকেই নৌবহর গাজা অভিমুখে যাত্রা করবে। এর আগে গতকাল (শনিবার) বিকাল ৩টায় রাজধানীর পান্থপথে দৃক ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই কর্মসূচির লক্ষ্য ও ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি সংহতির বার্তা তুলে ধরেন।

সংবাদ সম্মেলনে শহিদুল আলম বলেন, ‘একটি গণহত্যা চলছে। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ফিলিস্তিন ও গাজায় মানুষ হত্যা করছে। অনেক পশ্চিমা দেশও এতে সহযোগী। তবে সারা পৃথিবীর মানুষ প্রতিবাদ করছে। আমি সেই প্রতিবাদের অংশ হিসেবেই মিডিয়া ফ্লোটিলায় যোগ দিচ্ছি।‘

তিনি আরো বলেন, ‘আমি প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে যাচ্ছি। তবে বাংলাদেশের সব মানুষের ভালোবাসা আমি সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছি। এই সংগ্রামে শুধু আমাদের অংশগ্রহণ যথেষ্ট নয়। আমরা যদি পরাজিত হই, তবে মানবতাই পরাজিত হবে।‘

শহিদুল জানান, ঠিক কতজন এ ফ্লোটিলায় অংশ নিচ্ছেন তা এখনই নিশ্চিত নয়।

প্রসঙ্গত, গত ৩০ আগস্ট প্রায় ৪৪টি দেশের প্রায় ৫০০ কর্মী গাজা অভিমুখী এই ফ্লোটিলায় যোগ দেন। নৌবহরে ত্রাণসামগ্রী রয়েছে এবং এরইমধ্যে এটি দুইবার ইসরায়েলি হামলার শিকার হয়েছে। উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে থাকা এই বহরের সঙ্গে একটি বড় নৌযান এবং আরো ১০টি ছোট নৌকা নিয়ে মিডিয়া ফ্লোটিলা যুক্ত হবে।

২০০৭ সাল থেকে ইসরায়েলের আরোপিত অবরোধ চ্যালেঞ্জ করতেই এ বিশ্ব নাগরিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন।

আরও