সব নিবন্ধিত কোম্পানি নিরীক্ষার আওতায় এলে রাজস্ব আয় বহুগুণ বাড়বে

ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূইয়া, ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের (এফআরসি) চেয়ারম্যান। দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) কর্মরত ছিলেন তিনি। আয়কর প্রশাসন, করনীতি, আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ ও করপোরেট কমপ্লায়েন্স বিষয়ে তার রয়েছে বিস্তৃত অভিজ্ঞতা। সম্প্রতি তিনি দেশের হিসাব ও নিরীক্ষা ব্যবস্থায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বাস্তবায়ন, করপোরেট রিপোর্টিংয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ ও আর্থিক খাতে জবাবদিহি প্রতিষ্ঠায় এফআরসির ভূমিকা নিয়ে বণিক বার্তার সঙ্গে কথা বলেছেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মেহেদী হাসান রাহাত

এফআরসির যাত্রা শুরু হয়েছে প্রায় এক দশক হলো। অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার তুলনায় আপনাদের কার্যক্রম সেভাবে দৃশ্যমান হচ্ছে না কেন?

২০১৫ সালে এফআরসি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, কার্যক্রম শুরু করেছে ২০১৭ সালে। আমার আগে দুজন স্থায়ী চেয়ারম্যান ছিলেন। আমি নিয়মিত তৃতীয় চেয়ারম্যান। বাংলাদেশে এফআরসির যে কাজটি, এটি একটি নতুন দিক উন্মোচন করেছে। প্রতিষ্ঠানটি সম্পর্কে যারা অ্যাকাউন্টিং, ফাইন্যান্স বা ইকোনমিকস নিয়ে গবেষণা করেন বা লেখাপড়া করেন, তাদের মধ্যেও একধরনের অস্পষ্টতা রয়েছে। এটার মূল কাজ কী এবং অর্থনীতিতে এর ভূমিকা কী, এটি অনেকেই বোঝেন না। আসলে এফআরসির কাজ অনেকটা বুদ্ধিবৃত্তিক। প্রতিষ্ঠানটি যেহেতু নতুন, তাই ধীরে ধীরে এগোচ্ছে। আমরা বাংলাদেশের হিসাব ও নিরীক্ষা পেশার মানোন্নয়ন এবং হিসাব ও নিরীক্ষা পেশার মানদণ্ড কী হবে, সেটি নিয়ে কাজ করি।

ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং স্ট্যান্ডার্ডস (আইএফআরএস) ও ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকাউন্টিং স্ট্যান্ডার্ডস (আইএএস) অনুযায়ী আমরা বাংলাদেশে কাজ করি। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের আইন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হলেও কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক আইন দ্বারা। বর্তমানে আমাদের কিছু কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে, সেসব সীমাবদ্ধতা পেরিয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। অর্থ মন্ত্রণালয় আমাদের যথেষ্ট সহযোগিতা করছে।

বাংলাদেশের ইতিহাসে আমরা দুটি সামিট করেছি। গত বছরের ২০২৫ সালের ৯ জুলাই আয়োজন করা হয় ‘অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড অডিটিং সামিট’। অর্থনীতিতে অডিট ও হিসাব পেশার যে একটা বিরাট ভূমিকা রয়েছে, সেটিকে তুলে ধরার জন্য আমরা প্রথম সামিটটা করেছিলাম। এতে বাংলাদেশে একটা জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে। যারা এ পেশায় জড়িত এবং যারা অংশীজন, যারা করদাতা, যাদের অডিট রিপোর্ট প্রস্তুত করার প্রয়োজন রয়েছে, তারা সবাই সচেতন হয়ে উঠছেন। গত ২০ মে আমরা ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড রিপোর্টিং (এফএআর) সামিট ২০২৬ করেছি। সামিটগুলোতে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট, কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে যারা অডিট করেন বা যারা হিসাব প্রস্তুত করেন অর্থাৎ সিএফও এবং কোম্পানির মালিক বা এমডিরা উপস্থিত ছিলেন।

আগে অডিট রিপোর্ট ইচ্ছামতো প্রস্তুত করা হতো এবং ইচ্ছামতো স্বাক্ষর করা হতো। এখন আইসিএবি ও আইসিএমএবির যৌথ প্রচেষ্টায় ডিভিএস সিস্টেম চালু হয়েছে। এখন ডিজিটাল সিস্টেমে এন্ট্রি করতে হয় বলে একাধিক অডিট রিপোর্ট আর কেউ তৈরি করতে পারে না। যদি কেউ দুই রকম অডিট রিপোর্ট জমা দেয়, তবে সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ধরা পড়ে যাবে। এটি যুগান্তকারী পরিবর্তন। এফআরসি মূলত পাই বা জনস্বার্থ-সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কাজ করে। যাদের বার্ষিক ৫০ কোটি টাকার বেশি টার্নওভার, সেই সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকেই আমরা পাই হিসেবে চিহ্নিত করি। আমরা এ পাই প্রতিষ্ঠানগুলোর হিসাব ও নিরীক্ষা পর্যবেক্ষণ করি। তারা যদি তাদের আর্থিক লেনদেনগুলো সঠিকভাবে প্রকাশ করে এবং তথ্য কম-বেশি দেখানোর দিকে না যায়, তবে দেশের মধ্যে একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে।

অতীতে নিরীক্ষা প্রতিবেদন তৈরির ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের ব্যত্যয় দেখা গেছে। বিশেষ করে ব্যাংক খাতের প্রকৃত পরিস্থিতি আর্থিক প্রতিবেদনে উঠে আসেনি। আপনার পর্যবেক্ষণ অনুসারে বর্তমানে পরিস্থিতি কতটা উন্নতি হয়েছে?

ব্যাংক খাতের সমস্যায় তিনটি পক্ষ জড়িত থাকে—প্রস্তুতকারী (যারা হিসাব প্রস্তুত করেন), ব্যবস্থাপনা (মালিকপক্ষ) ও নিরীক্ষক। প্রস্তুতকারী যদি বন্ধক রাখা সম্পত্তির মূল্য বেশি দেখান, ব্যবস্থাপনা যদি তাকে সেটি করতে বাধ্য করে এবং নিরীক্ষক যদি সেটা মেনে নেন, তখনই সমস্যা সৃষ্টি হয়। বিগত দিনে এ তিন পক্ষের কারসাজিতে নিরীক্ষা প্রতিবেদন সঠিক হয়নি। ফলে ঋণের প্রকৃত চিত্র ফুটে ওঠেনি। যেহেতু বাংলাদেশের প্র্যাকটিস হলো বন্ধকের বিপরীতে ঋণ দেয়া হয়, সেখানে বন্ধক রাখা সম্পত্তির চেয়ে ঋণের মূল্য বেশি ছিল, ফলে সেই ঋণ আর আদায় হওয়ার সুযোগ থাকেনি। আমি এ তিন পক্ষকেই দায়ী করব, তাদের যৌথ অবহেলার কারণে এটি হয়েছে।

বর্তমানে আমরা তিন পক্ষকেই বার্তা দিচ্ছি যে আর্থিক প্রতিবেদনে পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ বা সঠিক তথ্য না থাকলে আমরা আমাদের আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। এরই মধ্যে আমরা তিন পক্ষকেই কোনো কোনো ক্ষেত্রে জরিমানা করেছি এবং জরিমানা আদায় হয়েছে। আমরা চাই তারা সতর্ক হয়ে যাক এবং অর্থনীতিতে একটা শৃঙ্খলা ফিরে আসুক। যদি জরিমানা করার পরও সতর্ক না হন, তবে আমাদের আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার বিধান রয়েছে।

স্থানীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থার হস্তক্ষেপে অনেক ক্ষেত্রে বাংলাদেশে কিছু আন্তর্জাতিক হিসাব মানের প্রয়োগ স্থগিত রাখা হয়। এটি কি আর্থিক প্রতিবেদনের গুণগত মান বা আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে না?

আমাদের জন্য আন্তর্জাতিক ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং স্ট্যান্ডার্ড ও আন্তর্জাতিক অডিটিং স্ট্যান্ডার্ডের যে বিধানগুলো আছে, তার বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। যেখানে এ স্ট্যান্ডার্ডগুলো অনুসরণ করা হয় না, সেখানেই আমাদের নজর দিতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক, বিএসইসি, এনবিআর বা আইডিআরএ যদি আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের বাইরে কোনো রিপোর্টিং অনুমোদন করে, তবে সেখানে এফআরসিকে নজর দিতে হবে। কারণ মানদণ্ডের বাইরে যাওয়ার অর্থ হলো কোনো অনিয়ম হয়েছে। আর অনিয়ম হলে রাষ্ট্র ও জনগণ ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং হিসাব ব্যবস্থায় বিশৃঙ্খলা দেখা দেবে। আমরা আইসিএবি ও আইসিএমএবিকে সঙ্গে নিয়েই এ আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করার কাজ করছি।

অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে আপনাদের সমন্বয় কেমন?

প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব মর্যাদা আছে। কাউকে শাসন করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়। এফআরসির কাউন্সিলে বাংলাদেশ ব্যাংক, বিএসইসি, এনবিআর, সিএজি অফিস, আইসিএবি, আইসিএমএবি, এফবিসিসিআই ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা আছেন। গত এক বছরে আমরা নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর দুটি সমন্বয় সভা করেছি এবং আমাদের আন্তঃনিয়ন্ত্রক সমঝোতার অনেক উন্নতি হয়েছে। আমরা এখন একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করি। বিএসইসি, বাংলাদেশ ব্যাংক বা এনবিআরের যখনই হিসাবের বিষয়ে কোনো সহায়তার প্রয়োজন হয়, আমরা তা করি। প্রত্যেকে যাতে প্রত্যেকের কাজে লাগে এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা যায়, সেই কাজ আমরা করে যাচ্ছি।

আপনি দীর্ঘ সময় এনবিআরে কাজ করেছেন। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে অডিট রিপোর্টের মান নিয়ে আপনার মূল্যায়ন কী?

এনবিআরের ভ্যাট ও আয়কর আহরণের জন্য সঠিক অডিট রিপোর্ট অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ফ্যাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং যদি সঠিকভাবে প্রস্তুত হয়, তবে ওই রিপোর্টের ভিত্তিতেই ভ্যাট ও আয়কর আহরণ হয়ে যাবে, কোনো জোরাজুরি বা মামলার প্রয়োজন পড়বে না। ৩২ বছর আয়কর বিভাগে কাজের অভিজ্ঞতা আমাকে এখন এফআরসিতে কাজ করতে সাহায্য করছে। অডিট ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা আনতে পারলে এনবিআর তথা সরকার ব্যাপক উপকৃত হবে।

তার মানে সঠিক রিপোর্টিং নিশ্চিত করতে পারলে বিদ্যমান কাঠামোর মধ্যেই রাজস্ব আয় বাড়ানো সম্ভব?

অবশ্যই। শুধু যারা নিয়মিত কর দিচ্ছে, তাদেরই বারবার চাপ দেয়ার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। বর্তমানে আরজেএসসিতে প্রায় তিন লাখ কোম্পানি নিবন্ধিত থাকলেও মাত্র ৩৫-৪৫ হাজার কোম্পানি রিটার্ন জমা দেয়। আমরা যদি সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সব নিবন্ধিত কোম্পানিকে অডিট রিপোর্ট প্রস্তুত করতে উদ্বুদ্ধ করতে পারি এবং করভিত্তি ৩ লাখ টাকায় নিয়ে যেতে পারি, তবে করের পরিমাণ অনেক বেড়ে যাবে।

অর্থ পাচার বা মানি লন্ডারিং রোধে এফআরসি কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে?

এটি পুরোপুরি হিসাব ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত। আমদানির সময় পণ্যের মূল্য বেশি দেখানো বা রফকতানি মূল্য কম দেখানো হলো মানি লন্ডারিং। এ আমদানি মূল্য এবং রফতানি মূল্য যাতে কম-বেশি না হয়, সেটি হিসাবরক্ষক ও নিরীক্ষকরা পরীক্ষা করে নির্ধারণ করবেন। প্রস্তুতকারী, ব্যবস্থাপনা ও নিরীক্ষক—তিন পক্ষ আন্তরিক থাকলে মানি লন্ডারিং নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।

পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় আপনাদের ভূমিকা কী?

বিনিয়োগকারীদের প্রতারণা থেকে বাঁচাতে আইপিওতে আসা কোম্পানিগুলোর প্রকৃত আর্থিক চিত্র তুলে ধরা আমাদের দায়িত্ব। অনেক সময় সম্পদের মূল্য বেশি দেখানো হয় এবং দায় কম দেখানো হয়, ফলে শেয়ারের মূল্য ভুলভাবে বেড়ে যায়। পরে যখন প্রকৃত চিত্র সামনে আসে, তখন শেয়ারের দাম কমে যায় এবং বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হন। ভবিষ্যতে আইপিওতে আসা কোম্পানিগুলো যাতে কৃত্রিম বা বানোয়াট রিপোর্ট দিতে না পারে, তা এফআরসি ও বিএসইসি যৌথভাবে নিশ্চিত করবে।

নিরীক্ষক যদি কোনো ত্রুটি থাকা সত্ত্বেও সঠিক মতামত না দিয়ে পাশ কাটিয়ে যান, তবে আপনারা কী ব্যবস্থা নেন?

যদি রিপোর্টে কোনো ত্রুটি থাকে এবং নিরীক্ষক ‘কোয়ালিফায়েড অপিনিয়ন’ দেন, তবে আমরা মনে করি তিনি সঠিক কাজ করেছেন। কিন্তু ত্রুটি থাকা সত্ত্বেও যদি তিনি ‘আনকোয়ালিফায়েড অপিনিয়ন’ বা শর্তহীনভাবে মেনে নেন, তবে আমরা সেই নিরীক্ষকের বিরুদ্ধে জরিমানা বা মামলা করি। আর নিরীক্ষক যদি ত্রুটিগুলো উল্লেখ করেন, তবে আমরা ওই করপোরেট হাউজ বা প্রস্তুতকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিই।

বিদেশী বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সঠিক ও স্বচ্ছ আর্থিক প্রতিবেদনের গুরুত্ব কতটুকু?

বিদেশী বিনিয়োগকারীরা যখন নিশ্চিত হবেন যে আমাদের আর্থিক প্রতিবেদন সঠিক এবং পূর্ণাঙ্গ, তখন তারা নির্দ্বিধায় বিনিয়োগ করবেন। বাংলাদেশে সেই পরিস্থিতির সৃষ্টি করাই এফআরসির মূল উদ্দেশ্য।

সামনের দিনগুলোতে আপনাদের প্রধান লক্ষ্য কী?

আমাদের প্রধান লক্ষ্য করপোরেট হাউজ, হিসাবরক্ষক ও নিরীক্ষকদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করা, যাতে তারা কারসাজি থেকে দূরে থাকেন। সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে আমরা বিপ্লব আনতে চাই। কেবল আইন করে চূড়ান্ত সফলতা পাওয়া যাবে না। আলোচনার মাধ্যমে আমরা যখন তাদের বোঝাতে পারব, তখন দেশের নিরীক্ষা এবং হিসাব ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে।

অনিয়ম ও ব্যত্যয়ের ঘটনায় এফআরসি কী ধরনের ব্যবস্থা নেয়ায় অগ্রাধিকার দিচ্ছে?

প্রথম অগ্রাধিকার হলো প্রস্তুতকারী, ব্যবস্থাপনা ও নিরীক্ষক—তিন পক্ষকে অনুপ্রাণিত করা, যাতে তারা আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী সঠিকভাবে কাজ করেন। সেভাবে কাজ না হলে দ্বিতীয় ধাপে আমরা নগদ জরিমানা করছি। তার পরও যদি না হয়, জেল-জরিমানার জন্য মামলা করার চূড়ান্ত ধাপে যাব। আমাদের মূল লক্ষ্য হিসাব ও নিরীক্ষা পেশায় শৃঙ্খলা আনার মাধ্যমে আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা।

আরও