বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার গৈলা মডেল ইউনিয়নের ১০ গ্রামের মানুষের একমাত্র ভরসা একটি জরাজীর্ণ কাঠের সাঁকো। প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে এ সাঁকো দিয়ে চলাচল করছেন স্থানীয়রা। দীর্ঘদিন ধরে সেখানে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানালেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগের অভাবে তা আজও বাস্তবায়িত হয়নি।
সরেজমিনে দেখা যায়, গৈলা ইউনিয়নের রাহুতপাড়া ও কাঠিরা গ্রামের সংযোগ খালের ওপর স্থানীয়দের উদ্যোগে ২০০২ সালে নির্মিত হয় একটি কাঠের সাঁকো। এ সাঁকো দিয়ে প্রতিনিয়ত ১০ গ্রামের মানুষ যাতায়াত করছেন। এতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে বাসিন্দাদের।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এ সাঁকোর আশেপাশের পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে কোনো সেতু নেই। তাই ঝুঁকি নিয়েই এ কাঠের সাঁকো পাড়ি দিয়ে প্রতিনিয়ত শত শত গ্রামবাসীকে চলাচল করতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ডা. প্রশান্ত রায় বলেন, সাঁকোটি প্রথম নির্মাণ করা হয় ২০০২ সালে। সেই থেকে এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট উপজেলা কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে গ্রামবাসীরা একটি সেতু নির্মাণের দাবি করে আসছেন। আমাদের এ অঞ্চল দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে উন্নয়ন বঞ্চিত।
আরেক বাসিন্দা লিমন সরদার বলেন, একটি সেতুর অভাবে আমাদের সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। কৃষিপণ্যের বাজারজাত ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে বিঘ্ন ঘটছে।
এ ব্যাপারে আগৈলঝাড়া উপজেলা প্রকৌশলী রবীন্দ্র চক্রবর্তী বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। স্থানীয় জনপ্রনিধিরা আমাকে অবহিত করেননি। খুব শিগগিরই সরেজমিন পরিদর্শন করে যতো দ্রুত সম্ভব ওই এলাকায় সরকারি অর্থায়নে ব্রিজ নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হবে।