অভিজিৎ হত্যা মামলার রায় ১৬ ফেব্রুয়ারি

ব্লগার অভিজিৎ রায় হত্যা মামলার রায় ঘোষণার তারিখ আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান রাষ্ট্রপক্ষ এবং আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের এ তারিখ ঠিক করেন। আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে পেরেছেন দাবি করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী গোলাম ছারোয়ার খান জাকির আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা প্রার্থনা করেছেন।

ব্লগার অভিজিৎ রায় হত্যা মামলার রায় ঘোষণার তারিখ আগামী ১৬  ফেব্রুয়ারি ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান রাষ্ট্রপক্ষ এবং আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের এ তারিখ ঠিক করেন।

আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে পেরেছেন দাবি করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী গোলাম ছারোয়ার খান জাকির আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা প্রার্থনা করেছেন।

অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি মর্মে তাদের বেকসুর খালাস প্রত্যাশা করছেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।

আসামিরা হলেন- বরখাস্তকৃত মেজর সৈয়দ জিয়াউল হক জিয়া, আকরাম হোসেন ওরফে হাসিব ওরফে আবির ওরফে আদনান ওরফে আবদুল্লাহ, আবু সিদ্দিক সোহেল, মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন, আরাফাত রহমান সাজ্জাদ ওরফে শামস ও শাফিউর রহমান ফারাবী।  মেজর জিয়া এবং আকরাম হোসেন পলাতক।  অন্য চার আসামি কারাগারে আছেন।

গত ২৭ জানুয়ারি কারাগারে থাকা চার আসামি আত্মপক্ষ শুনানিতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।

উল্লেখ্য, অমর একুশে গ্রন্থমেলায় বই প্রকাশ ও প্রকাশনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি সস্ত্রীক দেশে আসেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী অভিজিৎ রায়। ওইদিন রাতে বইমেলা থেকে ফেরার পথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির সামনে অভিজিৎ ও তার স্ত্রী রাফিদা আহমেদ বন্যার ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন অভিজিৎ। গুরুতর আহত হন তার স্ত্রী বন্যা। ওই ঘটনায় অভিজিতের বাবা অধ্যাপক ড. অজয় রায় শাহবাগ থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় ২০১৯ সালের ১ আগস্ট ছয় আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল।

আরও