বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে বহিষ্কারের পর চার স্টাফকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত পরীক্ষার্থীকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আজ শুক্রবার দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ঘটনা ঘটে। বহিষ্কৃত ওই পরীক্ষার্থীর নাম আহনাফ আহমেদ।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, মোবাইল ফোন নিয়ে পরীক্ষায় অংশ নেয়ায় আহনাফকে বহিষ্কার করা হয়। পরে কন্ট্রোল রুমে নেয়ার সময় তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে দায়িত্বরত স্টাফদের ওপর হামলা চালান এবং পালানোর চেষ্টা করেন। এ ঘটনায় নিরাপত্তা শাখার কর্মী মো. মনিরুজ্জামান, রাসেল হোসেন ও উজ্জ্বলসহ চারজন আহত হন। তাদের মধ্যে তিনজনকে শেরে-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত মনিরুজ্জামান বলেন, বহিষ্কারের পর অভিযুক্ত পরীক্ষার্থী উপস্থিত স্টাফ ও অন্য পরীক্ষার্থীদের মারধর শুরু করেন। তাকে বাধা দিতে গেলে তিনি আমাকেও আঘাত করেন। এতে নাক, মুখ ও কান দিয়ে রক্তপাত হয়। পরে আশপাশের লোকজন এসে পরীক্ষার্থীকে আটক করেন।
বরিশাল বন্দর থানার পরিদর্শক মো. শাহাব উদ্দিন জানান, মোবাইল ফোন ব্যবহারের দায়ে বহিষ্কৃত এক পরীক্ষার্থী চার স্টাফকে মারধর করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্রের প্রধান ফোকাল পয়েন্ট সহযোগী অধ্যাপক ড. হাফিজ আশরাফুল হক বলেন, অসদুপায় অবলম্বনের কারণে পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়। পরে তিনি চার স্টাফকে মারধর করেন।
প্রক্টর ড. রাহাত হোসাইন ফয়সাল জানান, পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় কক্ষ পরিদর্শক এক পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেন। এরপর তাকে কন্ট্রোল রুমে নেয়ার সময় তিনি নিরাপত্তাকর্মীদের ওপর হামলা চালান। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাকে থানায় নিয়ে গেছে। ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।