কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার নারায়নপুর ইউনিয়নে ব্রহ্মপুত্র নদে গোসল করতে নেমে
নিখোঁজ হওয়া ৪ শিশুর মধ্যে ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা।
উদ্ধারকৃতরা হলো, নারায়ণপুর ইউনিয়নের আষ্টশির চর গ্রামের আহাদ আলীর ছেলে আতিক হাসান, একই গ্রামের আলম মিয়ার ছেলে জুয়েল ও নজরুলের ছেলে নাজমুল।এখনো নিখোঁজ রয়েছে আহাদ আলীর নিখোঁজ আরেক সন্তান আঁখি।
বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে দুপুরের মধ্যে ঘটনাস্থলের কয়েক
কিলোমিটার ভাটির দিকে সদর ও চিলমারী উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে এ মরদেহগুলো
উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) স্কুল ছুটির পর বিকেলে ৫ শিশু বাড়ির পাশে নাগেশ্বরী উপজেলার নারায়ণ পুর ইউনিয়নের বাঘমারা গ্রামের ব্রহ্মপুত্র নদে গোসল করতে নামে। এসময় এক শিশু তীরে উঠতে পাড়লেও বাকী ৪ শিশু স্রোতের টানে ভেসে
গিয়ে নিখোঁজ হয়।
বুধবার সকাল থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরী দল উদ্ধার তৎপরতা চালালে দুপুরের মধ্যে ঘটনাস্থলের কয়েক কিলোমিটার ভাটিতে নাগেশ্বরী, সদর ও চিলমারী উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করে স্থানীয়রা। পরে মরদেহগুলো পরিবারের নিকট হস্তান্তর করেন তারা।
এ ব্যাপারে নারায়ণপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ঘটনাটি দুঃখজনক। নদীপাড়ের শিশুরা প্রতিদিনই নদীতে গোসল করে।কিন্তু বুধবার কিভাবে এ ঘটনা ঘটেছে বুঝতে পারছি না। ঘটনার পর থেকে স্থানীয়রা মিলে অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তাদের পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরী দল নদীতে শিশুদের খুঁজছিল এমন সময় ভাটির দিক থেকে খবর
আসে যে মরদেহ পাওয়া গেছে। এভাবে তিন শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এক কন্যা শিশু এখনো নিখোঁজ আছে।
কচাকাটা থানার ওসি বিশ্বজিৎ নিখোঁজ চার শিশুর মধ্যে ৩ শিশুর মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নিহতদের বয়স ৭ থেকে ১০ বছরের মধ্যে।