ভাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত পাঁচ

১০ বছর মালয়েশিয়া ছিলেন আরিফুল, বাড়ি ফেরার পথে গেল প্রাণ

আরিফুলের বাড়ি যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বাকড়া ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা গ্রাম। অন্য নিহতরা হলেন তার মা নুরজাহান বেগম, বোন আয়েশা আক্তার এবং ভাই রাকিবুল ইসলাম

১০ বছর মালয়েশিয়ায় প্রবাসজীবন কাটিয়ে দেশে ফিরেছিলেন আরিফুল ইসলাম। স্বজনদের সঙ্গে বিমানবন্দর থেকে রওয়ানা দিয়েছিলেন গ্রামের বাড়ি যশোরে। কিন্তু সেই ফেরা আর শেষ পর্যন্ত হলো না। ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার মালিগ্রামে ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় মা, বোন ও ভাইসহ প্রাণ হারিয়েছেন আরিফুল।

আরিফুলের বাড়ি যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বাকড়া ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা গ্রাম। অন্য নিহতরা হলেন তার মা নুরজাহান বেগম, বোন আয়েশা আক্তার এবং ভাই রাকিবুল ইসলাম।

দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন প্রাইভেটকারের চালক জাহিদ হোসেনও। তিনি যশোরের মনিরামপুর উপজেলার গৌরপুর গ্রামের মো. ইসলামের ছেলে।

এ ঘটনায় আহত দুই শিশু আশরাফুল হোসেন ও তাসফিয়া ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে।

স্বজনরা জানান, প্রায় এক দশক ধরে মালয়েশিয়ায় ছিলেন আরিফুল ইসলাম। গতকাল দিবাগত রাতে তিনি দেশে ফেরেন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নিয়ে যশোরের বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। পথে ভোরে ভাঙ্গার মালিগ্রাম এলাকায় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তাদের বহনকারী প্রাইভেটকার।

মাদারীপুরের শিবচর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, ভোরের দিকে ঢাকা থেকে যশোরগামী একটি প্রাইভেটকার বিকল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পেছনে ধাক্কা দেয়। এতে পাঁচজন নিহত হন এবং গাড়িতে থাকা দুই শিশু সামান্য আহত হয়।

আরও