ঢাবিতে বাজেট আলোচনায় বক্তারা

দেশের অর্থনীতি চাপে আছে, আরো বাড়বে

দেশের বাজেট ঘাটতি আর এডিপির পরিমাণ প্রায় সমান। উন্নয়ন বাজেট পুরোপুরি ঋণনির্ভর বলা চলে। ঋণ আনা হচ্ছে বিদেশী মুদ্রায়, টোল আদায় করা হচ্ছে টাকায়। সুতরাং ডলার আয় বাড়ানো দরকার। এজন্য

দেশের বাজেট ঘাটতি আর এডিপির পরিমাণ প্রায় সমান। উন্নয়ন বাজেট পুরোপুরি ঋণনির্ভর বলা চলে। ঋণ আনা হচ্ছে বিদেশী মুদ্রায়, টোল আদায় করা হচ্ছে টাকায়। সুতরাং ডলার আয় বাড়ানো দরকার। এজন্য রেমিট্যান্স রফতানির পরিসর বাড়াতে হবে। এক্ষেত্রে এফডিআই সফলতা দুর্বল। স্পেশাল ইকোনমিক জোনের বিনিয়োগের ওপর অতিরিক্ত ট্যাক্স আরোপ করা হয়েছে, আশা করব এটা হয়তো থাকবে না। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতি চাপের মধ্যে আছে, চাপ আরো বাড়বে। এটা মোকাবেলার জন্য অর্থনীতি রেজিলিয়েন্ট (স্থিতিস্থাপক) নয়। এজন্য সংস্কার করতে হবে। বরাদ্দ বাড়ালেই হবে না, দক্ষতা বাড়াতে হবে। গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধ্যাপক মুজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘জাতীয় বাজেট পর্যালোচনা ২০২৪-২৫’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

উপাচার্য ড. এএসএম মাকসুদ কামাল বলেন, ‘বাজেটে বরাদ্দের পুরো টাকা ঠিকভাবে খরচ করার মতো সক্ষমতা আমাদের সবগুলো মন্ত্রণালয়ের আছে কিনা এটা বড় প্রশ্ন? দক্ষতার অভাবে বিভিন্ন খাতে অপচয়ের পরিমাণ বাড়ছে। যদি এ অপচয়ের পরিমাণ কমিয়ে আনা যায় তাহলে বাজেট থেকে আরো বেশি সুফল পাওয়া যাবে।’ 

আরও