সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) বলেছে, জুলাই আন্দোলনের মূল কারণ ছিল অর্থনৈতিক। আরো স্পেসিফিকভাবে বলতে গেলে কর্মসংস্থানের অভাব। পূর্ববর্তী সরকারের যে বৈষম্যমূলক নীতি ছিল, সেটি বেকারত্বকে আরো ঘনীভূত করে সমাজে বৈষম্য তৈরি করেছিল।
আজ বুধবার (২৯ জানুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডিতে সংস্থাটির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলা হয়।
‘বাংলাদেশ অর্থনীতি ২০২৪-২৫, সংকটময় সময় প্রত্যাশা পূরণের চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন।
তিনি বলেন, ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগের হারের ক্ষেত্রে গত ১০ বছর ধরে এক ধরনের স্থবিরতা দেখা যাচ্ছে। একমাত্র সরকারি বিনিয়োগ বাড়ছিল, সেটাও যদি কমে যায়, তাহলে অর্থনীতির মধ্যে এক ধরনের স্থবিরতা তৈরি হবে।
রাজস্ব ঘাটতির ক্ষেত্রে সিপিডির নির্বাহী পরিচালক বলেন, কর আদায়ের ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহারের কথা আমরা সবসময়ই বলে এসেছি। কর ফাঁকি রোধ করা ও করের আওতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে মনোযোগ দিতে হবে।
ফাহমিদা খাতুন বলেন, সরকারি ব্যয় সঠিক ও ভারসাম্যপূর্ণভাবে ব্যয় হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।
এ সময় অন্যদের মধ্যে সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান, গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম, গবেষণা ফেলো মুনতাসির কামাল, সৈয়দ ইউসুফ সাদাতসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।