কেরানীগঞ্জের ইউপি চেয়ারম্যান আতিকুল্লাহ চৌধুরী হত্যাকাণ্ড

হত্যার দশ বছর পর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার

ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের চাঞ্চল্যকর ও বহুল আলোচিত মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আতিকুল্লাহ চৌধুরী হত্যা মামলার দশ বছর পর এ ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রফিকুল ইসলাম আমিন ওরফে টুন্ডা আমিনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। আজ শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজী র‌্যাব ১১ এর হেডকোয়ার্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কর্নেল তানভীর মাহমুদ পাশা।

ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের চাঞ্চল্যকর ও বহুল আলোচিত মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আতিকুল্লাহ চৌধুরী হত্যা মামলার দশ বছর পর এ ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রফিকুল ইসলাম আমিন ওরফে টুন্ডা আমিনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। আজ শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজী র‌্যাব ১১ এর হেডকোয়ার্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কর্নেল তানভীর মাহমুদ পাশা।

র‍্যাব কর্মকর্তা জানান, কেরানীগঞ্জ উপজেলার কোন্ডা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক মুক্তিযোদ্ধা আতিক উল্লাহ চৌধুরীর সঙ্গে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা নিয়ে গোলজার হোসেন নামে এক ব্যক্তির দ্বন্দ্ব হয়। পরে গোলজার আতিক উল্লাহকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরে ২০১৩ সালের ১০ ডিসেম্বর রাতে হাসনাবাদ এলাকা থেকে বাসায় ফেরার পথে তারা দলবদ্ধ হয়ে আতিক উল্লাহকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন এবং মরদেহ পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে ফেলেন।

রাতে তার বাসা থেকে তার মোবাইলে ফোন করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরদিন সকালে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি নিখোঁজের ডায়েরি করে তার পরিবার। পরে মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে পরিবার তার মরদেহ শনাক্ত করে। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা হয় এবং ৮ জনকে অভিযুক্ত করে পুলিশ একটি চার্জশিট দেয়। এ মামলার অন্যতম পলাতক আসামি ছিলেন রফিকুল ইসলাম আমিন। র‍্যাব তাকেই গ্রেফতার করেছে।

র‍্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে মাদারীপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। 

আরও