জাতীয় ভোটার দিবসের পরিবর্তন চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মন্ত্রী পরিষদ বরাবর দেয়া এক চিঠিতে ২ মার্চের পরিবর্তে পহেলা মার্চ ‘জাতীয় ভোটার দিবস’ ঘোষণার আবেদন করেছে।
ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ আজ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, ‘২ মার্চের পরিবর্তে আমরা পহেলা মার্চ “জাতীয় ভোটার দিবস” নির্ধারণের জন্য মন্ত্রী পরিষদে চিঠি দিয়েছি। চিঠির সিদ্ধান্তের পর ভোটার দিবস কবে হবে জানা যাবে।’
২০১৩ সালে সার্কভুক্ত দেশগুলোর নির্বাচন বিষয়ক সংগঠন ফেমবোসার চতুর্থ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সদস্য দেশগুলো জাতীয়ভাবে ভোটার দিবস পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এরপরই মূলত জাতীয় ভোটার দিবস উদযাপনের আলোচনা শুরু হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় নির্বাচন কমিশন সচিবালয় জাতীয়ভাবে ভোটার দিবস উদযাপনের একটি প্রস্তাব কমিশন সভায় উপস্থাপন করে। কমিশন প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গ্রহণ করে এবং নীতিগতভাবে জাতীয় ভোটার দিবস উদযাপনের সিদ্ধান্ত নেয়।
২০১৯ সালে প্রথমবার ১ মার্চ ভোটার দিবস পালন করা হয়। কিন্তু একই তারিখে ‘বীমা দিবস’ থাকায় পরের বছর ভোটার দিবসকে ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত দিবস ঘোষণা করে ২ মার্চকে জাতীয় ভোটার দিবস হিসেবে নির্ধারণ করা হয়।
ইসির তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল রয়েছে ৬০টি। দেশে ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন।