গাইবান্ধায় গুটি বসন্তে আক্রান্ত হয়ে স্কুল শিক্ষকের মৃত্যু

ইতিশ চন্দ্র দাস সদর উপজেলার খোলাহাটী ইউনিয়নের খোলাহাটী বোডঘর মধ্যপাড়া গ্রামের প্রাণবন্ধু চন্দ্র দাসের ছেলে। তিনি স্থানীয় খোলাহাটী উচ্চ বিদ্যালয়ের কৃষি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত মঙ্গলবার থেকে তিনি এ রোগে ভুগছিলেন বলে জানা গেছে।

গাইবান্ধা সদর উপজেলায় গুটি বসন্ত রোগে আক্রান্ত হয়ে ইতিশ চন্দ্র দাস নামের এক স্কুল শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে। একই রোগে তার স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ পরিবারের তিন সদস্য আক্রান্ত হয়েছেন। এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

আজ সোমবার দিবাগত রাত ১টার দিকে নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

ইতিশ চন্দ্র দাস সদর উপজেলার খোলাহাটী ইউনিয়নের খোলাহাটী বোডঘর মধ্যপাড়া গ্রামের প্রাণবন্ধু চন্দ্র দাসের ছেলে। তিনি স্থানীয় খোলাহাটী উচ্চ বিদ্যালয়ের কৃষি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত মঙ্গলবার থেকে তিনি এ রোগে ভুগছিলেন বলে জানা গেছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ইতিশ চন্দ্র দাস অসুস্থ হওয়ার পর পাশের গ্রামের এক কবিরাজের কাছ থেকে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। গত রোববার রাতে হঠাৎ তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরে রাত ১টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

ইতিশ চন্দ্রের স্ত্রী অর্চনা রানী জানান, কয়েক দিন আগে প্রথমে তার নিজের শরীরে এ রোগের লক্ষণ দেখা দিয়েছিল। তিনি সুস্থ হওয়ার পর পর্যায়ক্রমে তার স্বামী আর দুই সন্তানও আক্রান্ত হন।

অর্চনা রানী আরো জানান, গত বুধবার ঢাকা থেকে বড় ছেলে প্রিমল দাস বাড়িতে এলে সেও অসুস্থ হয়ে পড়ে। বর্তমানে তাদের ছোট ছেলে অর্মীত দাসও এ রোগে ভুগছে।

গাইবান্ধার সিভিল সার্জন ডা. রফিকুজ্জামান এ বিষয়ে জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শিক্ষক ইতিশ চন্দ্র দাসের মৃত্যু গুটি বসন্তের কারণেই হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং আক্রান্তদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

আরও