গাইবান্ধায় জাপা মহাসচিবসহ জামানত হারালেন ২৮ প্রার্থী

নির্বাচনী আইন অনুযায়ী মোট বৈধ ভোটের এক-অষ্টমাংশের কম ভোট পেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।

ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী গাইবান্ধা-১ সুন্দরগঞ্জ আসন ও গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। এরমধ্যে গাইবান্ধা-৫ আসনে তিনি জামানত হারান। একইসঙ্গে, গাইবান্ধার ৫টি আসনের জাপা মনোনীত সকল প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। এ তালিকায় দুই নারী প্রার্থীও রয়েছেন।

গাইবান্ধার ৫টি সংসদীয় আসনে জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারীসহ মোট ২৮ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী গাইবান্ধা-১ সুন্দরগঞ্জ আসন ও গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। এরমধ্যে গাইবান্ধা-৫ আসনে তিনি জামানত হারান। একইসঙ্গে, গাইবান্ধার ৫টি আসনের জাপা মনোনীত সকল প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। এ তালিকায় দুই নারী প্রার্থীও রয়েছেন।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

জামানত হারানো ২৮ জন প্রার্থীর মধ্যে গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে ৫ জন, গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে ৫ জন, গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসনে ৮ জন, গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে ৪ জন ও গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে ৬ জন।

সূত্র জানায়, মোট বৈধ ভোটের এক-অষ্টমাংশের কম ভোট পাওয়া প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সেই নিয়মেই গাইবান্ধার পাঁচ আসনে এসব প্রার্থীর জামানত হারাতে হচ্ছে।

গাইবান্ধা-১ আসন (সুন্দরগঞ্জ)

এ আসনে ৮ প্রার্থীর মধ্যে ৫ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে। তারা হলেন—হাতপাখা: রমজান আলী (২০৬৪), কাঁচি: পরমানন্দ দাস (৩৯৯), প্রজাপতি: কওছর আজম হান্নু (১৭৪), কলস: ছালমা আক্তার(৩৭৮), ঢেঁকি: মোস্তফা মহসিন (২৭১৪০)।

গাইবান্ধা-২ আসন (সদর)

এ আসনে ৭ প্রার্থীর মধ্যে ৫ জন জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন—লাঙল: আব্দুর রশীদ সরকার (২১৩১০), হাতপাখা: মোহাম্মদ আব্দুল মাজেদ (২৩৬৭), কলম: শাহেদুর জাহান (১৯৭), কাস্তে: মিহির কুমার ঘোষ (২৩৮২), কাঁচি: আহসানুল হাবীব সাঈদ (৬২৯)।

গাইবান্ধা-৩ আসন (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী)

এ আসনে ১০ প্রার্থীর মধ্যে ৮ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে। তারা হলেন— লাঙল: মইনুর রাব্বী চৌধুরী (১৬৩৮), ট্রাক: সুরুজ মিয়া (১৭৯২), হাতপাখা: এটিএম আওলাদ হোসাইন (২৮৩৫), কাস্তে: আব্দুল্লাহ আদিল (৫২১), আপেল: মোছাদ্দিকুল ইসলাম (১৪৭), কলম: মনজুরুল হক (১৫৮), ঘোড়া: এস এম খাদেমুল ইসলাম খুদি (২০৪৫), ঢেঁকি: আজিজার রহমান (১১৪২)।

গাইবান্ধা-৪ আসন (গোবিন্দগঞ্জ)

এ আসনে ৬ প্রার্থীর মধ্যে ৪ জন জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন—লাঙল: কাজী মো. মশিউর রহমান (২৩৬০), হাতপাখা: সৈয়দ তৌহিদুর রহমান তুহিন (১৩৭৩), কোদাল: আতোয়ারুল ইসলাম (৩৬৮), মোটরসাইকেল: আব্দুর রউফ আকন্দ (১৫৫২)।

গাইবান্ধা-৫ আসন (ফুলছড়ি-সাঘাটা)

এ আসনে ৯ প্রার্থীর মধ্যে ৬ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে। তারা হলেন— লাঙল: শামীম হায়দার পাটোয়ারী (৩৪২৭), হাতপাখা: আজিজুল ইসলাম কাঁচি (২২০৭), কাঁচি: রাহেলা খাতুন (২৪৯), কাস্তে: শ্রী নিরমল (৪৬৮), ঘোড়া: মেহেদী হাসান বিদ্যুৎ (৪৯৯), মোটরসাইকেল: এইচ এম গোলাম শহীদ রনজু (৮৭০৬)।

গাইবান্ধা জেলা নির্বাচন অফিসার মো. শহিদুল ইসলাম জানান, নির্বাচনী আইন অনুযায়ী মোট বৈধ ভোটের এক-অষ্টমাংশের কম ভোট পেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এ নিয়মেই গাইবান্ধা জেলার ৫টি আসনের ২৮ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছে।

আরও